May by Known

ইতিহাসের এই দিনে
আজ ১৮ জুন ২০২১, শুক্রবার, ০৪ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
আজকের দিনটি সময়ের হিসাবে অতি অল্প সময়। আবার একটি ঘটনার জন্য যথেষ্ট সময়। ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনেই ঘটেছে নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনা। অনেকের আজ জন্মবার্ষিকী আবার কেউ মৃত্যুবরণ করেছিলেন এই দিনেই। চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক আজকের দিনের ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়-

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনটি:
ঘটনাবলি:
৭০৬ - খলিফা ওয়ালিদ ইবনে আবদুল মালেক কর্তৃক বিখ্যাত মসজিদ জামে দামেস্ক নির্মিত।
১৫৭৬ - রানা প্রতাপ ও সম্রাট আকবরের মধ্যে হলদিঘাটের যুদ্ধ শুরু হয়।
১৭৭৮ - আমেরিকার বিপ্লব যুদ্ধে ব্রিটিশরা ফিলাডেলফিয়া ত্যাগ করে।
১৮১২ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৮১৫ - ইংরেজ ও জার্মানদের মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে ওয়াটারলুর যুদ্ধে নেপোলিয়ন চূড়ান্ত পরাজয় বরণ করেন।
১৮৩০ - ফ্রান্স আলজেরিয়া দখল করে।
১৮৮৭ - জার্মানি ও রাশিয়ার মধ্যে রি-ইনস্যুরেন্স চুক্তি সম্পাদিত হয়।
১৯০৮ - ইউনিভার্সিটি অব ফিলিপিনস প্রতিষ্ঠা হয়।
১৯১৩ - মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘ভারতবর্ষ’ প্রকাশিত হয়।
১৯৪৪ - সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বে আজাদ হিন্দ ফৌজ ব্রিটিশ শাসনের হাত থেকে মুক্তির সংগ্রাম শুরু করে।
১৯৫৩ - জেনারেল এম নাগিরকে প্রেসিডেন্ট করে মিসরকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা।
১৯৬৫ - এয়ার ভাইস মার্শাল এনগুয়েন কাওকির দ. ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী পদে ক্ষমতারোহণ।
১৯৭২ - বঙ্গবন্ধু সুপ্রিমকোর্ট উদ্বোধন করেন।
১৯৭৩ - ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা কমরেড মুজফ্ফর আহমদের মৃত্যু।
১৯৭৫ - সৌদি বাদশা ফয়সালকে হত্যার দায়ে তার ভাতিজা প্রিন্স মুসায়েদের প্রকাশ্যের শিরশ্ছেদ।
১৯৭৯ - যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ভিয়েনায় দ্বিতীয় সল্ট চুক্তি সম্পাদিত হয়।
১৯৯৭ - ক্রিকেটে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ওয়ান ডে স্ট্যাটাস মর্যাদা লাভ।
১৯৯৭ - তুরস্কের ইসলামপন্থী প্রধানমন্ত্রী নাজম উদ্দীন আরবাকান কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী সেনা বাহিনীর চাপের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।
১৯৯৭ - কম্বোডিয়ার পলাতক খেমারুজ নেতা পলপটের আত্মসমর্পণ।
১৯৯৯ - ২৯ বছর পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান।
২০০৪ - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান।

জন্ম:
১৯০৩ - আলোন্জো চার্চ, মার্কিন গণিতবিদ এবং যুক্তিবিদ।
১৯৪২ - পল ম্যাককার্টনি, ইংরেজ পপ সঙ্গীত তারকা।
১৯৪২ - দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট থাবো এমবাকি।
১৯৫০ - মাহফুজ আনাম, বাংলাদেশি সাংবাদিক।
১৯৬২ - লিসা র‌্যান্ডল, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক।

মৃত্যু:
১৯৩৬ - রুশ সাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কি।
১৯৭৮ - রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী জাহেদুর রহিম।
২০০২ - নীলিমা ইব্রাহিম, বাঙালি শিক্ষাবিদ।
২০১০ - পর্তুগীজ নোবেলজয়ী কথাসাহিত্যিক হোসে সারামাগোর।

সুত্র: abnews24.com

ইতিহাসে এই দিনে
আজ ১৭ জুন, বৃহস্পতিবার।
আজকের দিনটি কাল হয়ে যায় অতীত। তাই প্রতিটি দিনই এক একটি ইতিহাস। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের আজকের এই দিনে কি কি ঘটেছিল। কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন।

ইতিহাসের পাতায় ১৭ জুনের ঘটনাবলি :
৬৫৬ - খলিফা হজরত উসমান (রা.) বিদ্রোহী ঘাতকের হাতে নিহত হন।
১৪৬২ - শুলে চড়ানোর জন্য কুখ্যাত ৩য় ভলাদ তুর্কী সম্রাট ২য় মাহমুদকে গুপ্তহত্যা করার প্রচেষ্টা চালান, এর ফলে মাহমুদ ওয়াল্লাচিয়া এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।
১৪৯৭ - ডেপ্টফোর্ডের সেতুর যুদ্ধে ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় হেনরির সেনাদের হাতে মাইকেল আন গফের সেনাবাহিনীর পরাজয় ঘটে।
১৫৬৭ - স্কটিশ বিদ্রোহীদের হাতে স্কটরানি ম্যারি বন্দি।
১৫৭৬ - হল্যান্ডের স্বাধীনতাকামী আন্দোলনের নেতা উইলিয়াম সিলেন্ডি স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
১৫৭৯ - স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক নিউ আলবিত্তনে কর্তৃক ইংল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব ঘোষণা।
১৬৩১ - মুমতাজ মহল, মোগল সম্রাট শাহজাহানের স্ত্রীর মৃত্যু। মমতাজ মহলের স্মরণে শাহজাহান তাজমহল নির্মাণ করান।
১৭৫৬ - নবাব সিরাজউদ্দৌলা ইংরেজ দখল থেকে কলকাতা পুনরুদ্ধারে অভিযান চালান।
১৭৭৫ - বাংকার হিলে আমেরিকার প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু।
১৮৮৫ - নিউইয়র্ক বন্দরে স্ট্যাচু অব লিবার্টি দাঁড় করানো হয়।
১৯০৫ - লন্ডনে টেমস নদীর ওপর বাষ্পীয় নৌপরিবহন চলাচল শুরু হয়।
১৯২৫ - জেনেভায় জীবাণু ও রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৪০ - সোভিয়েত ইউনিয়ন লাটভিয়া দখল করে নিয়েছিল।
১৯৪৩ - আমেরিকার রাজনীতিবিদ নিউট গিংগ্রিট জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের একজন মনোনয়ন পদপ্রার্থী।
১৯৪৪ - আইসল্যান্ডের জনগণ ডেনমার্ক থেকে পুরোপুরি স্বাধীনতা লাভ করে এবং প্রতি বছর এই দিনটিকে তারা জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করে।
১৯৫৫ - পল্টন ময়দানের জনসভায় মওলানা ভাসানী কর্তৃক পাকিস্তানকে আসসালামু আলাইকুম জ্ঞাপন।
১৯৬৭ - চীন প্রথম হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করে।
১৯৯১ - দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লামেন্টে গৃহীত আইনের বলে বর্ণবৈষম্যের অবসান ঘটে।
১৯৯৬ - দক্ষিণ এশিয়া উন্নয়ন তহবিল প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৯৯৯ - কিংবদন্তি নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট থাবো এমবেকির কাছে দ. আফ্রিকার ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায়।

আজ যাদের জন্ম হয় :
১৬৩১ - গওহর আরা বেগম, মোগল রাজকন্যা এবং সম্রাট শাহজাহান ও তার স্ত্রী মুমতাজ মহলের চৌদ্দতম এবং সর্বকনিষ্ঠ সন্তান।
১৮৮২ - ইগর স্ট্রাভিনস্কি, রাশিয়ান পিয়ানোবাদক, সুরকার এবং কন্ডাক্টর।
১৮৯৮ - এম. সি. এশ্যর, একজন ওলন্দাজ চিত্রলেখ শিল্পী।
১৯০২ - অ্যালেক হারউড, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।
১৯০৪ - রাফ বেলামি, মার্কিন অভিনেতা।
১৯২০ - সেতসুকো হারা, জাপানি অভিনেত্রী।
১৯২৪ - অধ্যাপক অম্লান দত্ত, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ চিন্তাবিদ।
১৯২৯ - তিগ্রেন পেত্রোসিয়ান, আর্মেনিয়ান দাবা খেলোয়াড়।
১৯৩০ - অনুপ কুমার, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা।, ব্রায়ান স্ট্যাথাম, ইংলিশ ক্রিকেটার।
১৯৪০ - জর্জ অ্যাকারলফ, মার্কিন অর্থনীতিবিদ।
১৯৪২ - মোহাম্মেদ এল বারাদেই, মিসরের একজন উপরাষ্ট্রপতি এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এর ডিরেক্টর জেনারেল।
১৯৪৫ - টমি ফ্র্যাংক্‌স, মার্কিন সেনাপতি।
১৯৬৪ - স্টিভ রোডস, সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার ও কোচ।
১৯৭৩ - লিয়েন্ডার পেজ, ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৮০ - ভেনাস উইলিয়ামস, আমেরিকান পেশাদার মহিলা টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৮১ - শেন ওয়াটসন, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।
১৯৮১ - অমৃতা রাও, একজন মডেল এবং হিন্দি চলচ্চিত্রের নায়িকা।
১৯৮৫ - মার্কোস বাগদাতিস, সাইপ্রিয় পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৮৭ - কেন্ড্রিক লামার, মার্কিন র‍্যাপার এবং গীতিকার।
১৯৮৮ - স্টেফানি রাইস, অস্ট্রেলিয়ান সাঁতারু।
১৯৯০ - জর্ডান হেন্ডারসন, ইংলিশ ফুটবলার।
১৯৯৫ - ক্লেমোঁ লংলে, ফরাসি ফুটবলার।
১৯৯৭ - কেজে অপা, নিউজিল্যান্ডের একজন অভিনেতা।

আজ যাদের মৃত্যু হয় :
৬৫৬ - উসমান ইবন আফফান, ইসলামের তৃতীয় খলিফা।
১৬৩১ - মুমতাজ মহল, মোগল সম্রাট শাহজাহানের স্ত্রী। মমতাজ মহলের স্মরণে শাহজাহান তাজমহল নির্মাণ করেন।
১৬৭৪ - জীজা বাঈ, মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা শিবাজির মাতা।
১৮৩৯ - লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক, ব্রিটিশ সামরিক কর্মকর্তা ও প্রশাসক।
১৮৫৮ - লক্ষ্মী বাঈ, ঝাঁসির রানি ও ১৮৫৭ সালের ভারতীয় বিদ্রোহের পথিকৃৎ।
১৯২৮ - সমাজসেবক, সংস্কারক, সাংবাদিক, কবি ও প্রাবল্ধিক উৎকলমণি গোপবন্ধু দাস প্রয়াত হন।
১৯৪০ - আর্থার হার্ডেন, ইংরেজ প্রাণরসায়নবিদ।
১৯৬০ - ফরাসি কবি পিয়ের রভের্দি।
১৯৭৬ - হাবীবুর রহমান, বাঙালি কবি, শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক।
১৯৭৯ - হুবার্ট অ্যাশটন, ইংলিশ ক্রিকেটার এবং রাজনীতিবিদ।
১৯৮৫ - জর্জিয়া হেল, মার্কিন নির্বাক চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।
১৯৯৬ - টমাস স্যামুয়েল কুন, মার্কিন বুদ্ধিজীবী।
২০০১ - ডোনাল্ড জেমস ক্র্যাম, মার্কিন রসায়নবিদ।
২০০৬ - আনোয়ার পারভেজ, বাংলাদেশি সুরকার, সংগীত পরিচালক, ও সংগীতজ্ঞ।
২০০৯ - গাজীউল হক, বাংলাদেশি লেখক, বুদ্ধিজীবী ও ভাষাসৈনিক।
২০১২ - রডনি কিঙ, আমেরিকান পুলিশ বর্বরতার শিকার।
২০১২ - ফৌজিয়া ওয়াহাব, পাকিস্তানি অভিনেত্রী ও রাজনীতিবিদ।
২০১৩ - আতিকুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশি নাট্যকার ও প্রযোজক।
২০১৯ - মুহাম্মাদ মুরসি, মিসরীয় প্রকৌশলী, শিক্ষায়তনিক ও রাজনীতিক, এবং মিসরের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি।

দিবস:
আইসল্যান্ডের জাতীয় দিবস।
বিশ্ব মরুময়তা ও অনাবৃষ্টি প্রতিরোধ দিবস।

সুত্র: একুশে টেলিভিশন

ইতিহাসের এই দিনে
আজ ১৬ জুন,
জেনে নিন ইতিহাসের আজকের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী, জাতীয় দিবস সমূহ এবং এই দিনে কোন কোন বিশিষ্টজন জন্মগ্রহণ ও মৃত্যু বরণ করেছেন।

গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী:
১৭৫৬ - সালের এই দিনে নবাব সিরাজউদ্দৌলার কাশিম বাজার কুঠি দখল।
১৭৭৯ - সালের এই দিনে দুর্নীতির অভিযোগে ঘানার প্রাক্তন সামরিক শাসক জেনারেল অচিয়ামকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান।
১৭৭৯ - সালের এই দিনে স্পেন ফ্রান্সের সঙ্গে মিলিত হয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৮১৯ - সালের এই দিনে পশ্চিম ভারতের কচ্ছ জনপদে সপ্তাহব্যাপী ভূমিকম্প প্রবাহ শুরু হয়। প্রায় সাতবার ভূমিকম্পে সিন্দ্রিনগরসহ বহু স্থান সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যায়।
১৮৯৪ - সালের এই দিনে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯০৩ - সালের এই দিনে ফোর্ড মোটর কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯০৩ - সালের এই দিনে জার্মানীর সাধারণ নির্বাচনে সমাজতান্ত্রিক পার্টি জয় লাভ করে ।
১৯২০ - সালের এই দিনে লন্ডনে লীগ অব নেশন কাউন্সিলের প্রথম জনসভা।
১৯৪৪ - সালের এই দিনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে মার্কিন বিমান বাহিনী জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ফুকুলা শহরে হামলা শুরু করে।
১৯৫৮ - সালের এই দিনে হাঙ্গেরীর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরে নগিরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর।
১৯৬৩ - সালের এই দিনে রাশিয়া থেকে বিশ্বের প্রথম নারী নভোচারী ভ্যালেন্টিনা টেরেসকোভা মহাকাশ পাড়ি দেয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন।
১৯৭২ - সালের এই দিনে নিউ ইয়র্কে জাজ সংগীতের জাদুঘর প্রথম দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
১৯৭৫ - সালের এই দিনে বাংলাদেশে চারটি দৈনিক পত্রিকা ও ১২৪ টি সাময়িকী ব্যতীত সকল পত্র পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়।
১৯৭৬ - সালের এই দিনে দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গ দাঙ্গায় অনেক হতাহত হয়।
১৯৭৭ - সালের এই দিনে লিওনিদ ব্রেজনেভ সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট হন।

জন্ম:
১৭২৩ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন অ্যাডাম স্মিথ, স্কটিশ দার্শনিক এবং অর্থনীতিবিদ।
১৭৩৩ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন বৃটেনের বিখ্যাত রসায়নবিদ ও পদার্থ বিজ্ঞানী জোসেফ প্রিষ্টলি “ফিল্ড হেল্ড” শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৮২ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন মোহাম্মদ মোসাদ্দেক, তেহরানে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ইরানী রাজনীতিবিদ ছিলেন।
১৮৮৮ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন আলেক্সান্দ্র্‌ আলেক্সান্দ্রোভিচ ফ্রিদমান, রুশ গণিতজ্ঞ, বিশ্বতত্ত্ববিদ এবং পদার্থবিজ্ঞানী।
১৮৯০ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন স্ট্যান লরেল, ইংরেজ কৌতুকাভিনেতা, চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক।
১৯০২ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন বারবারা ম্যাকলিন্টক, নোবেল বিজয়ী মার্কিন জীববিজ্ঞানী।
১৯০৬ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন অ্যালেন ফেয়ারফ্যাক্স, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।
১৯০৭ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন জ্যাক অ্যালবার্টসন, আমেরিকান অভিনেতা।
১৯১৫ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন জন টুকি, মার্কিন পরিসংখ্যানবিদ।
১৯২০ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, বাংলার খ্যাতিমান কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী,সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক ও প্রযোজক।
১৯২৬ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন এফ্রিয়ান রিস মন্ট, গুয়েতেমালা এন জেনারেল এবং রাজনীতিবিদ।
১৯২৭ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন টম গ্রেভেনি, ইংলিশ ক্রিকেটার এবং স্পোর্টসকাস্টার।
১৯৩৭ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন এরিখ সেগাল, আমেরিকান সাহিত্যিক, চিত্রনাট্যকার ও অধ্যাপক।
১৯৫০ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন মিঠুন চক্রবর্তী, ভারতের চলচ্চিত্র জগতে খ্যাতিমান বাঙালি অভিনেতা, সমাজ সংগঠক ও উদ্যোক্তা।
১৯৫১ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন রবার্তো দুরান, সাবেক পানামিয় পেশাদার মুষ্টিযোদ্ধা।
১৯৬১ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন রবি কার, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৬৭ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন ইয়ুর্গেন ক্লপ, জার্মান ফুটবল কোচ এবং সাবেক ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৮০ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন জোয় ইয়ুং, হংকংয়ের একজন গায়িকা এবং অভিনেত্রী।
১৯৮৬ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন ফের্নান্দো মুসলেরা, আর্জেন্টিনায় জন্মগ্রহণকারী উরুগুয়ের একজন পেশাদার ফুটবলার।
১৯৯৫ - সালের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন জোসেফ স্কুলিং, বিশিষ্ট সিঙ্গাপুরী সাঁতারু।

মৃত্যু:
৬৭৯ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন উন্মুল মোমেনিন হজরত উম্মে সালমা (রা.)।
১৮৬৯ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন অস্ট্রেলীয় আবিষ্কারক চার্লস স্টুর্স্ট।
১৮৬১ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ও সমাজসেবক।
১৮৭৮ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন ক্রফোর্ড উইলিয়ামসন লং, মার্কিন শল্যচিকিৎসক ও ওষুধবিজ্ঞানী।
১৯২৫ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, বাঙালি আইনজীবি, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং রাজনীতিবিদ।
১৯৪৪ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন আচার্য স্যার প্রফুল্ল চন্দ্র রায় একজন প্রখ্যাত বাঙালি রসায়ন বিজ্ঞানী।
১৯৫৩ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন ইংল্যান্ডের প্রথম নারী কেবিনেট মন্ত্রী মার্গারেট বন্ডফিল্ড।
১৯৫৮ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন ইমরে নাগি, হাঙ্গেরির বিশিষ্ট সমাজতান্ত্রিক রাজনীতিবিদ।
১৯৭৭ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন ভের্নার ফন ব্রাউন, বিখ্যাত জার্মান-মার্কিন প্রকৌশলী ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী।
১৯৭৯ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন নিকোলাস রে, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক।
১৯৯৩ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন লিন্ডসে হ্যাসেট, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার।
২০১২ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন সুজান টাইরেল, মার্কিন অভিনেত্রী।
২০১৩ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন খোন্দকার আশরাফ হোসেন, বাংলাদেশের একজন কবি এবং সাহিত্য সমালোচক।
২০১৫ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন চার্লস কোরিয়া, ভারতীয় স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ।
২০১৭ - সালের এ দিনে মৃত্যুবরণ করেন হেলমুট কোল, জার্মানির বিশিষ্ট রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ ও জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর।

সুত্র: প্রবাসীর দিগন্ত

“ বাঙ্গালি বিজ্ঞানী প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ”
.
জীবনের শেষ ২০ বছর তিনি কাটান বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছোট এক কামারায়। মাথার উপর পাখাকেও তিনি বিলাস দ্রব্য মনে করে ব্যবহারে অস্বীকৃতি জানান।
তখনকার দিনে একটি নিয়ম ছিল শিক্ষক যখন ক্লাস নিবেন তার আগে একজন কর্মচারী এসে ব্ল্যাকবোর্ড, টেবল মুছে দেবে। এক শীতের দিনে দেখা গেল এক কর্মচারী কোট পরে ব্ল্যাকবোর্ড মুছতে এল। কিছুক্ষন পর প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ও একি রকম একটি কোট পরে ক্লাসে প্রবেশ করলেন পরে জানা যায় যে তিনি একই কাপড় থেকে দুটি কোট বানিয়েছিলেন, একটি তার জন্য আরেকটি ওই কর্মচারীর জন্য। ...
● জানা অজানা প্রফুল্ল চন্দ্র রায় :
রসায়নবিদ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়! ছোটবেলা থেকে ডাল্টন, রাদারফোর্ড, বোর, অ্যাভোগেড্রোর নাম শুনে আসা আমরা কজন জানি বিখ্যাত এই বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম ?
১৮৬১ সালের ২ আগস্ট খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাটুলি গ্রামে জন্ম নেন মহান এই বাঙালি বিজ্ঞানী। তিনি মা ভূবনমোহিনী দেবী এবং পিতা হরিশচন্দ্র রায়ের পুত্র। হরিশচন্দ্র রায় স্থানীয় জমিদার ছিলেন।
পড়াশুনা শুরু করেন নিজের গ্রামে নিজের বাবার প্রতিষ্ঠা করা এম.ই স্কুলে। জমিদার বংশের সন্তান হলেও অত্যন্ত সাধাসিধে জীবনের অধিকারী ছিলেন তিনি। ছোটবেলায় তার অন্যতম শখ ছিল স্কুল পালিয়ে পাতাঘেরা গাছের মগডালে বসে থাকা!
১৮৭২ সালে পড়াশুনার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান কলকাতা হেয়ার স্কুলে। কিন্তু হঠাত করেই অবনতি ঘটে শারীরিক অবস্থার। রক্ত আমাশয়ের কবলে পড়ে ২ বছর ভুগেন তিনি। তবে এই রোগ অন্য আরেক দিক দিয়ে তার জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনে। এই ২ বছর নিয়ে প্রফুল্ল চন্দ্র তার ব্যাক্তিগত ডায়রীতে লিখেন-
“স্কুলের শুকনো বইখাতা থেকে মুক্তি পেয়ে আমি সুযোগ পেয়েছিলাম নিজের পছন্দানুযায়ী বই পড়ার”।
এই ২ বছরে তিনি তার বাবার বইয়ের বিশাল সংগ্রহশালায় ডুবে ছিলেন। আর অর্জন করেছিলেন নানা বিষয়ে অগাধ জ্ঞানভান্ডার।
১৮৭৪ সালে প্রফুল্লচন্দ্র কলকাতায় ফিরে যেয়ে অ্যালবার্ট স্কুলে ভর্তি হন। এই স্কুল থেকেই ১৮৭৮ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মেট্রোপলিটন কলেজে (বর্তমান বিদ্যাসাগর কলেজ) ভর্তি হন। ১৮৮১ সালে সেখান থেকে এফ এ পরীক্ষায় (ইন্টারমিডিয়েট বা এইচএসসি) দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করে প্রেসিডেন্সী কলেজে বি এ ক্লাসে ভর্তি হন।
প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়ার সময় কলেজে তৎকালীন রসায়নের অধ্যাপক ছিলেন আলেক্সান্ডার পেডলার। পেডলার মূলত তার পাঠদান পদ্ধতিতে তাত্ত্বিক দিকের চেয়ে ব্যবহারিক দিককেই বেশি গুরুত্ব দিতেন। রসায়নের মনোমুগ্ধকর এক্সপেরিমেন্ট দিয়ে অতি সহজেই তিনি আকৃষ্ট করতেন তার শিক্ষার্থীদের।
তরুণ প্রফুল্ল ছিলেন তার মুগ্ধ শ্রোতা। পেডলার যেসব এক্সপেরিমেন্ট করতেন তিনি বাড়ি ফিরে তার নিজের বানানো রসায়ন ল্যাবে একই পরীক্ষাগুলো পুনরায় করতেন।
মূলত রসায়নের প্রতি তার ভালোলাগার শুরু ওখান থেকেই। যদিও তার প্রথম ভালোবাসা ছিল সাহিত্য। যার ধারাবাহিকতায় তিনি ঘরে বসেই ল্যাটিন ও ফ্রেঞ্চ ভাষা রপ্ত করেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি রসায়নেই পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
পরবর্তীতে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে সম্মানসূচক গিলক্রিস্ট বৃত্তি(সারা ভারত থেকে সেবছর মাত্র দুজন এই বৃত্তির জন্য উত্তীর্ণ হন) নিয়ে পাড়ি জমান স্কটল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবারগে। সেখান থেকে নেন বিএসসি ও পিএইচডি ডিগ্রী। তার থিসিসের বিষয় ছিল, “কনজুগেটেড সালফেট অফ কপার ম্যাগনেসিয়াম গ্রুপ”।
অসাধারণ এক গবেষনার জন্য তিনি সে বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের “হোপ পুরষ্কার” লাভ করেন এবং আরো একবছর থিসিস করার অনুমতি পান। তার জ্ঞানের গভীরতা, দায়িত্বশীলতা , সুন্দর আচরণে তার সহপাঠী ও শিক্ষকগণ এতোই মুগ্ধ ছিলেন যে তাকে এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিকেল সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয়। অশিক্ষা , কুসংস্কারে ঘেরা উপমহাদেশের কোন শিক্ষার্থীর এমন বিরল নিদর্শন সত্যিই সেসময় ছিল প্রশংসার দাবিদার।

সেসময়কার আরো একটি ঘটনা প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের তেজস্বীতার পরিচয় বহন করে।
১৮৮৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় চ্যান্সেলর স্যার স্টারফোরড নর্থকোর্ট এক প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন যার বিষয়বস্তু ছিল “ব্রিটিশ দাসত্বের আগে ও পরে উপমহাদেশের চালচিত্র।" প্রফুল্ল চন্দ্র এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। তিনি তার প্রবন্ধে তুলে ধরেন কিভাবে উপমহাদেশীয় ব্রিটিশ শাসকরা শিক্ষা সংস্কার এর দিকে গুরুত্ব না দিয়ে অন্যায় অবিচার লুটপাটের দিকে অধিক ঝুকে পড়ছে। যদিও তিনি প্রতিযোগিতায় পুরস্কার জেতেন নি, তারপরও তার উচ্চমার্গীয় ও সোজাসাপ্টা কথা বিচারকদের মুগ্ধ করে। প্রফুল্ল চন্দ্র তাঁর প্রবন্ধের একটি কপি ভারতীয় ছাত্র সংগঠন গুলোর কাছে প্রেরণ করেন ও উপমহাদেশীয় শাসকদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে বলেন। এছাড়া তিনি প্রবন্ধটি বিভিন্ন ব্রিটিশ গণমাধ্যমেও প্রচারের ব্যাবস্থা করেন। প্রথম দিককার ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে এমন পদক্ষেপ সত্যিই ছিল প্রশংসার দাবিদার।

১৮৮৮ সালে প্রফুল্ল চন্দ্র নিজ ভূমির শিক্ষা ও গবেষণার প্রচার ও প্রসারের জন্য তিনি দেশে ফিরে আসেন। সেসময়ে ব্রিটিশরা শিক্ষক সমাজের জন্য দুটি আলাদা স্তরের সৃষ্টি করেছিল। ইম্পেরিয়াল সার্ভিস ও প্রভিন্সিয়াল সার্ভিস ।
ইম্পেরিয়ালের অধীনে থাকতো ব্রিটিশ শিক্ষকরা। তারা উচ্চ বেতন ও গবেষনার আধুনিক সুযোগসুবিধা পেত। যার ফলে এডিনবার্গের মত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষালাভ করে এসেও প্রফুল্ল চন্দ্র রায় মাত্র ২৫০ টাকার নাম সর্বস্ব বেতনে প্রেসিডেন্সি কলেজে যোগদান করেন।
তখনকার আরেক বিখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুও ছিলেন একই বৈষম্যের শিকার। তবে প্রফুল্ল চন্দ্র থেমে থাকেন নি সব বাধা মেনে নিয়েই তিনি পাঠদান শুরু করেন।
সীমাবদ্ধতাকে শক্তি হিসেবে রূপান্তর করেন তিনি। হাতের কাছের যেকোন কিছু দিয়েই তিনি রসায়নের পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে পারতেন ও শিক্ষার্থীদের কাছে মনোমুগ্ধকর ভাবে উপস্থাপন করতেন। তবে তিনি অনুধাবন করেছিলেন রসায়নকে শুধু শ্রেণী কক্ষে সীমাবদ্ধ রাখলেই চলবে না। একে কাজে লাগাতে হুবে, গবেষনা করতে হবে। ভারতের উন্নয়ন নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ গবেষনার উপর এটা তিনি ভালো করেই জানতেন। তাই তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণার বীজ ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন । যারা প্রতিনিধিত্ব করবে সমগ্র দেশের। তিনি বলে যান,
“ভালো ছেলেরা হল পুতুলের মত। তাদের চোখ আছে, কিন্তু তারা দেখবে না। কান আছে কিন্তু শুনবে না। তাদের কোন ব্যক্তিত্ব নেই , নিজস্ব স্বকীয়তা নেই। তারা তাদের ছাড়া আর কিছু নিয়ে ভাবে না, তারা সবাইকে অনুকরণ করে মাত্র”
তাই তিনি শুধু ভালো মেধাবী শিক্ষার্থীই চান নি চেয়েছিলেন একদল দেশপ্রেমী মেধাবী।
তিনি কিছু ত্যগী মেধাবীকে এক ছাদের নিচে জড়ো করেছিলেন এবং তাদের নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক দল গড়ে তুলেন । এই দলের অনেক মেধাবী (পঞ্চানন নিয়োগী, নিল রতন ধর, প্রিয়াদা রঞ্জন রায়, বিরেশ চন্দ্র গুহ, এস এস ভাটনগর প্রমুখ) পরবর্তীতে সারা ভারতবর্ষে বিজ্ঞান গবেষনার প্রভূত উন্নয়ন সাধন করেছিলেন।

তৎকালীন সময়ে প্রফুল্ল চন্দ্র রায় নিজে প্রায় রসায়নের ১৫০টি গবেষনা পত্র প্রকাশ করেছিলেন, যার ৬০ টি প্রকাশ পেয়েছিল আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের সংস্থা রয়েল সোসাইটির সংবাদপত্রে।
তিনি ১৮৯৫ খ্রিস্টাব্দে মারকিউরাস নাইট্রাইট (HgNO2) আবিষ্কার করেন যা বিশ্বব্যাপী আলোড়নের সৃষ্টি করে। এটি তার অন্যতম প্রধান আবিষ্কার। তিনি তার সমগ্র জীবনে মোট ১২টি যৌগিক লবণ এবং ৫টি থায়োএস্টার আবিষ্কার করেন।
১৯১৬ সালে প্রফুল্ল চন্দ্র প্রেসিডেন্সী ছেড়ে বিজ্ঞান কলেজে যোগদান করেন। ১৯২১ সালে ৬০ বছর বয়সে তিনি তার পরবর্তী সমস্ত বেতন বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যানে উৎসর্গ করেন। যা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফেলোশিপকারীদের ২ লাখ ভারতীয় রুপি প্রদান করা হয়। এভাবে তিনি ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষাদান করে গেছেন।
জীবনের শেষ ২০ বছর তিনি কাটান বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছোট এক কামারায়। মাথার উপর পাখাকেও তিনি বিলাস দ্রব্য মনে করে ব্যবহারে অস্বীকৃতি জানান। তখনকার দিনে একটি নিয়ম ছিল শিক্ষক যখন ক্লাস নিবেন তার আগে একজন কর্মচারী এসে ব্ল্যাকবোর্ড, টেবল মুছে দেবে। এক শীতের দিনে দেখা গেল এক কর্মচারী কোট পরে ব্ল্যাকবোর্ড মুছতে এল। কিছুক্ষন পর প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ও একি রকম একটি কোট পরে ক্লাসে প্রবেশ করলেন। পরে জানা যায় যে তিনি একই কাপড় থেকে দুটি কোট বানিয়েছিলেন, একটি তার জন্য আরেকটি ওই কর্মচারীর জন্য। দৈনিক আহারে তিনি কখনও ১ পয়সার বেশি খরচ করতেন না, কিন্তু কেউ কিছুর সাহায্য চাইলে হাজার টাকা দিতেও কুন্ঠাবোধ করতেন না তিনি।
তাঁকে নিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মহাত্মা গান্ধীর বানী উল্লেখযোগ্য ....
বিশ্বকবি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যথার্থ বলেছেন :

“আচার্য নিজের জয়কীর্তি নিজে স্থাপন করেছেন উদ্যমশীল জীবনের ক্ষেত্রে, পাথর দিয়ে নয়, প্রেম দিয়ে। আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় বাঙালির অহংকার, বিশ্বের গর্ব। তার র্কীতি বিশ্বে থাকবে চির বহমান। এ মহামানবকে বাঙালি জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।"

আচার্য সম্পর্কে গান্ধীজি বলেছেন :

“এটা বিশ্বাস করা কঠিন ছিল যে সাধারণ ভারতীয় পোশাক পরিহিত একজন মানুষ, যার আচার- ব্যবহার আরও সাধারণ, আসলে এক বড় মাপের বিজ্ঞানী এবং অধ্যাপক হিসাবে ইতিমধ্যেই স্বীকৃত। আমি রূদ্ধ নি:শ্বাসে শুনলাম যে আচার্য রায় তার রাজচিত বেতন থেকে সামান্য কিছু টাকা নিজের জন্য রেখে বাকি সবটাই জনহিতকর কাজে বিশেষ করে দরিদ্র ছাত্রদের সাহায্যদানে নিয়োজিত করতেন। ভারতের এই মহান সেবক এই তিরিশ বছরে একটুও বদলাননি। বিরামহীন সেবা, উদ্দীপনা এবং আশাবাদের যে দৃষ্টান্ত তিনি আমাদের সামনে রেখেছেন তা নিয়ে অবশ্যই আমরা গর্ব করতে পারি”।

সারা জীবন বিজ্ঞান, দেশ , মানুষের উৎকর্ষ সাধনকারী এই মহান বিজ্ঞানী ৮৩ বছর বয়সে আজকের এই দিনে (১৯৪৪ সালের ১৬ জুন) না ফেরার দেশে গমন করেন।
আমরা কি পেরেছি তাকে যোগ্য সম্মান দিতে ? সবার কাছে প্রশ্ন রইলো।

লেখা সংগ্রহ-
২৮শে আগষ্ট, ২০২০.
https://engineersdiarybd.com/prafulla-chandra-ray/

ইতিহাসের এই দিনে
আজ ১৪ জুন ২০২১, সোমবার। ২৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনা।

ঘটনাবলি:
১৮২০ - মোহাম্মদ আলী পাশার নেতৃত্বে মিসরীয় বাহিনী, সুদানে হামলা চালিয়ে দেশটির একটি বড় অংশ দখল করে নেয়।
১৮৩০ - ফরাসি বাহিনী আলজেরিয়ায় অভিযান শুরু করে। তবে ফ্রান্সের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আলজেরিয়ার জনগণ প্রথম থেকেই সোচ্চার ছিল।
১৮৩৯ - প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘সংবাদ প্রভাকর’ ঈশ্বর গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
১৮৩৯ - কলকাতায় বাংলা পাঠশালার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৮৫৫ - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ‘বর্ণ পরিচয়’ দ্বিতীয় ভাগ প্রকাশিত হয়।
১৯০৭ - নরওয়েতে নারীর ভোটাধিকার স্বীকৃত হয়।
১৯২৭ - ব্রিটিশ নারীদের ভোটাধিকার স্বীকৃত হয়।
১৯৪৯ - সাবেক সম্রাট বাও দাই’র নেতৃত্বে সায়গলে ভিয়েতনামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
১৯৬৩ - বিশ্বের প্রথম মহিলা নভোচারী ভ্যালেনটিনা তেরেশকোভার মহাশূন্য যাত্রা।
১৯৭৫ - বেতবুনিয়ায় বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন।
১৯৮২ - ফকল্যান্ডস যুদ্ধ শেষ হয়।
১৯৯১ - ঐতিহাসিক নগরী লেনিনগ্রাদের নতুন নামকরণ পিটার্সবার্গ।
১৯৯৩ - তানসু সিলার তুরস্কের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত।
১৯৯৫ - আন্তর্জাতিক রক্তদাতা ফেডারেশনের উদ্যোগে প্রথম বিশ্ব রক্তদাতা দিবস পালিত হয়।
১৯৯৭ - সিলেটের মাগুরছড়া গ্যাস ফিল্ডে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
১৯৯৯ - কসোভোতে প্রথম গণকবরের সন্ধান লাভ। ৮১টি কঙ্কাল উদ্ধার।

জন্ম:
১৭৩৬ - চার্লস অগাস্টিন কুলম্ব, ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী এর জন্ম।
১৮৭৫ - জার্মান বিজ্ঞানী ও নেপচুনের আবিষ্কর্তা হাইনরিখ লুই দ্য আরেস্টের জন্ম।
১৯১৭ - সমাজবিজ্ঞানী ও সাহিত্য সমালোচক বিনয় ঘোষের জন্ম।
১৯২৮ - কিউবার বিপ্লবী নেতা আর্নেস্তো চে গুয়েভারার জন্ম।
১৯৩২ - কবি হাসান হাফিজুর রহমানের জন্ম।
১৯৪৭ - বাংলাদেশি লেখিকা সেলিনা হোসেনের জন্ম।

মৃত্যু:
১৫৫৮ - সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের ইন্তেকাল।
১৮৮৬ - রাশিয়ার স্বনামধন্য লেখক আলেকজান্ডার নিকোলাইভিচ অস্ট্রোফস্কি মৃত্যুবরণ করেন।
১৯২৭ - ইংরেজ লেখক জেরোম কে জেরোমের মৃত্যু।
১৯৪৬ - টেলিভিশনের আবিষ্কারক জন বেয়ার্ডের মৃত্যু।
১৯৮৬ - লাতিন আমেরিকার বিখ্যাত লেখক খুর্খা লুইস বুরখাস মৃত্যুবরণ করেন।

সুত্র: সময় সংবাদ

ইতিহাসে আজকের এই দিনে
আজ ১৩ জুন, ২০২১, রোববার। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনা।

ঘটনাবলি:
১৫২৫ - রোমান ক্যাথলিক চার্চের নিয়ম ভেঙে মার্টিন লুথার বিয়ে করেন ক্যাথরিনা ভনভরাকে।
১৭৫৭ - রবার্ট ক্লাইভ সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদ অভিমুখে যুদ্ধ অভিযান শুরু করেন।
১৮৫৭ - লর্ড ক্যানিং সংবাদপত্র আইন চালু করেন।
১৮৭৮ - ইউরোপের মুখ্য রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে বার্লিন কংগ্রেস শুরু হয়।
১৯০০ - চীনে বক্সার বিদ্রোহ শুরু হয়।
১৯০৬ - বৃটেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় আয়ারল্যান্ড দ্বীপে আয়ারল্যান্ড রিপাবলিকান আর্মির রাজনৈতিক শাখা শিনফেন আত্ম প্রকাশ করে।
১৯২১ - ইহুদিবাদীদের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো ব্যাপক আন্দোলনের সূচনা হয়।
১৯৩৪ - এডল্ফ হিটলার এবং বেনিটো মুসোলিনী দুজনের সাক্ষাৎ হয়েছিল ইতালির ভেনাসে।
১৯৪৩ - ফ্রান্সের জাতীয় মুক্তি কমিটি গঠিত হয়।
১৯৪৪ - জার্মানি প্রথম বারের মতো বৃটেনকে লক্ষ্য করে ভি-ওয়ান নামের ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
১৯৫৩ - কলম্বিয়ায় জেনারেল গুস্তাভো রোজাস পিনিল্লার নেতৃত্বে এক সামরিক অভ্যুত্থানে প্রেসিডেন্ট লরেয়ানো গোমেজের সরকার উৎখাত।
১৯৫৬ - সর্বশেষ ব্রিটিশ সেনাদল সুয়েজ ত্যাগ করে।
১৯৭১ - অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে জি. বডরিক নামে এক মহিলা একসঙ্গে নয় সন্তানের জন্ম দেয়। এর মধ্যে ২ ছেলে ও ৪ মেয়ে বেঁচে যায়।
১৯৭৪ - ইয়েমেনে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল।
১৯৭৮ - লেবানন থেকে ইসরায়েল তার সেনা প্রত্যাহার করে।
১৯৮২ - সৌদি বাদশাহ খালেদের ইন্তেকাল। যুবরাজ ফাহাদের সিংহাসনে আরোহণ।
১৯৮৩ - ঢাকা জাদুঘর জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়।
১৯৯৩ - কিম ক্যাম্পবেল কানাডার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত।
২০০২ - যুক্তরাষ্ট্র অ্যান্টি ব্যালাস্টিক মিসাইল চুক্তি প্রত্যাহার করে।
২০০৭ - বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুটি চাঁদাবাজির মামলা করা হয়।

আজ যাদের জন্ম হয় :
১৮৩১ - জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল, স্কটল্যান্ডীয় গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানী।
১৮৬৫ - নোবেলজয়ী (১৯২৩) আইরিশ সাহিত্যিক উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস।
১৯৪০ - জার্মান গায়িকা সারাহ কোনর।
১৯৪৪ - জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব বান কি মুন।
১৯৫৩ - আমেরিকান অভিনেতা টিম অ্যালেন।

আজ যাদের মৃত্যু হয় :
১৬৯৫ - ফ্রান্সের বিখ্যাত লেখক ও কবি জন লাফুনতান।
১৯৩২ - বিপ্লবী নির্মলকুমার সেন।
২০১২ - উপমহাদেশের কিংবদন্তি গজল সম্রাট মেহেদি হাসান।
২০১৫ - নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার ও কোচমাইক শ্রিম্পটন।

সুত্র: সময় সংবাদ

ইতিহাসের এই দিনে
আজ ১২ জুন, ২০২১, শনিবার। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনা।

ঘটনাবলি:
১৮৩৭ - উইলিয়াম কুক ও চার্লস হুইটস্টোন সর্বপ্রথম বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ পেটেন্ট করেন।
১৮৩৯ - আমেরিকায় প্রথম বেসবল খেলা হয়।
১৮৬৭ - অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্য গঠিত হয়।
১৮৯৭ - কবি ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মহত্যা
১৮৯৮ - ফিলিপাইন স্বাধীন হয়।
১৯২৯ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাজি বর্বরতার শিকার দিনলিপি লেখিকা আনা ফ্রাংকের জন্ম।
১৯৪৪ - বিশ্বের প্রথম ধরনের ভি-১ ক্ষেপণাস্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়।
১৯৬৪ - রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে সাতজন সংগ্রামীসহ দক্ষিণ আফ্রিকার মুক্তি আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
১৯৭২ - প্রগতিবাদী মারাঠী সাহিত্যিক ডি.ডি তেন্ডুলকারের মৃত্যু।
১৯৭৬ - উরুগুয়েতে সামরিক অভ্যুত্থানে প্রেসিডেন্ট জুয়ান বর্দাবেরি ক্ষমতাচ্যুত
১৯৭৮ - বাংলাদেশে প্রেসিডেন্ট পদে জিয়াউর রহমানের শপথগ্রহণ
১৯৮২ - পারমানবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কের হাজার হাজার লোক রাস্তায় বের হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
১৯৯০ - বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংবিধানের দশম সংশোধনী গৃহীত হয়।
১৯৯১ - বেআইনি অস্ত্র রাখার দায়ে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।
১৯৯১ - রাশিয়া ফেডারেশনের প্রথম সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৯১ - বরিস ইয়েলেৎসিন রাশিয়া প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
১৯৯৩ - কম্বোডিয়া বিভক্ত হয়ে আলাদা রাষ্ট্র সাম্বেডিয়ার জন্ম।
১৯৯৬ - বাংলাদেশে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে।
১৯৯৮ - পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর অপরাধে পাকিস্তান ও ভারতকে বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলোর ঋণদানে নিষেধাজ্ঞা আরোপ।
২০০২ - আন্তর্জাতিক শ্রমসংস্থার (আইএলও) উদ্যোগে প্রথম বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসটি পালিত হয়।
২০০৭ - ফিলিস্তিনের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল হানিয়ার গাজার বাসভবনে অস্ত্রধারীরা রকেট চালিত গ্রেনেড হামলা চালায় ।

জন্ম:
১১০৭ - চীনের সম্রাট গাওজঙ।
১৮৬০ - আইনজ্ঞ স্যার আশুতোষ চৌধুরীর জন্ম।
১৯২৪ - জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম রাষ্ট্রপতি এর জন্ম।
১৯৫৭ - জাভেদ মিয়াঁদাদ, পাকিস্তানী ক্রিকেটার এর জন্ম।
১৯৬৪ - আমেরিকান অভিনেত্রী পাওলা মার্শাল এর জন্ম।

মৃত্যু:
১৭৫৯ - ইংরেজ কবি উইলিয়াম কলিন্স
১৯৮৬ - কবি অমিয় চক্রবর্তীর মৃত্যু।
২০০৩ - গ্রেগরি পেক, একজন মার্কিন অভিনেতা এর মৃত্যু।

দিবস:
আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস
বিশ্ব রক্তদাতা দিবস

সুত্র: সময় সংবাদ

ইতিহাসে আজকের এই দিনে
আজ ১১ জুন, ২০২১, শুক্রবার। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:
১৪২৯ - ইয়ারগু যুদ্ধের মাধ্যমে শত বছরের যুদ্ধ (হানড্রেড ইয়ার্স ওয়ার) শুরু হয়।
১৪৮৮ - চতুর্থ জেমস স্কটল্যান্ডের রাজা নিযুক্ত।
১৫০৯ - ক্যাথরিনকে ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম হেনরির বিয়ে।
১৭২৭ - দ্বিতীয় জর্জ ইংল্যান্ডের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত।
১৭৬০ - মহীশুরের নবাব হায়দার আলির সঙ্গে ব্রিটিশদের যুদ্ধ শুরু হয়।
১৭৮৮ - রাশিয়ার অভিযাত্রী গেরাসিম ইসমাইলভ আলাস্কায় পৌঁছেন।
১৮৪৬ - মৌলবি ফরিদ উদ্দিন খাঁর সম্পাদনায় বহুভাষিক সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘জগদুদ্দীপক ভাস্কর’ প্রকাশিত হয়।
১৮৫৫ - বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রথম বারের মতো সূর্য রশ্মির বিভাজন আবিষ্কার করা হয়।
১৯৪২ - সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ফ্যাসিবাদবিরোধী সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৬৩ - রাজা পলের ব্রিটেনে রাষ্ট্রীয় সফরের প্রতিবাদে গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কনস্টান্টিন কারমানসিসের পদত্যাগ।
১৯৮১ - ইরানে ভূমিকম্পে দেড় হাজার লোক নিহত ।
১৯৯১ - নোবেল শান্তি পুরস্কার ভূষিত মাদার তেরেসা বাগদাদ সফরে যান।
২০০৭ - বাংলাদেশে চট্টগ্রাম মহানগরীতে ভয়াবহ প্লাবন ও পাহাড়ধসের ঘটনায় কমপক্ষে ৮৪ জন নিহত হয়েছিল।
২০১৭ - চট্টগ্রামসহ রাঙামাটি ও বান্দরবানে দুই দিনের টানা বর্ষণে পাহাড়ধসের ঘটনায় কমপক্ষে ১২৫ জন নিহত হয়েছিল।

জন্ম:
১৫৭২ - ইংরেজ কবি নাট্যকার বেন জনসন।
১৮৯৭ - ভারতের বিপ্লবী রাম প্রসাদ বিসমিল।
১৮৯৯ - নোবেলজয়ী (১৯৬৮) জাপানি সাহিত্যিক ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা।
১৯০১ - সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক প্রমথনাথ বিশী।
১৯৪৭ - বিহারের রাজনীতিবিদ লালু প্রসাদ যাদব।

মৃত্যু:
১৮৬০ - পণ্ডিত ও গ্রন্থকার রামকমল ভট্টাচার্যের আত্মহত্যা।
১৯০৩ - সার্বিয়ার রাজা আলেকজান্ডার ও রানী দ্রাগা বেলগ্রেডে আততায়ীর হাতে নিহত।
১৯৩৬ - আমেরিকার লেখক রবার্ট ই. হাওয়ার্ড।
১৯৬২ - চলচ্চিত্র ও নাট্যাভিনেতা ছবি (শচীন্দ্রনাথ) বিশ্বাস।
১৯৭০ - নারীনেত্রী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী ও দেশব্রতী লীলা রায়ের (নাগ)।

সুত্র: সময় সংবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী এবং প্রথম এমএ ডিগ্রী প্রাপ্ত।
নামঃ লীলা নাগ (জন্ম: অক্টোবর ২, ১৯০০ - মৃত্যু:জুন ১১ ১৯৭০) (বিবাহের পরে নাম হয় লীলা রায়) একজন বাঙালি সাংবাদিক, জনহিতৈষী এবং রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় ব্যক্তি ছিলেন। তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সহকারী ছিলেন।

ইতিহাসে এই দিনে
আজ ১০ জুন, ২০২১, বৃহস্পতিবার। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনা।

ঘটনাবলি:
১৬১০ - গ্যালিলিও শনি গ্রহের দ্বিতীয় চক্র আবিষ্কার করেন।
১৭৫২ - বেঞ্জামিন ফ্র্যাংকলিন ঘুড়ি উড়িয়ে বজ্র থেকে বিদ্যুৎ আহরণ করতে সক্ষম হন।
১৭৯০ - ইংরেজ সেনাবাহিনী মালয় নামে পরিচিত বর্তমান কালের মালয়েশিয়ার ওপর হামলা চালায়।
১৮৮১ - রাশিয়ার বিখ্যাত লেখক কাউন্ট লিও তলস্তয় চাষির ছদ্মবেশে একটি মঠের দিকে তীর্থযাত্রা শুরু করেন।
১৯০৫ - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে বঙ্গীয় কলা সংসদ গঠিত।
১৯২৬ - তুরস্কে সর্বশেষ জানেসারী বিপ্লবের সূচনা।
১৯৪০ - ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণা।
১৯৪০ - উইনস্টন চার্চিল তার নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
১৯৭২ - ভারতের প্রথম তাপানুকূল যাত্রীবাহী জাহাজ হর্ষবর্ধনের সমুদ্র যাত্রা।
২০০১ - মিডিয়া সম্রাট সিলভিও বালুসকনি দ্বিতীয়বারের মতো ইতালির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত।

জন্ম:
১৮৩২ - প্রাচ্যতত্ত্ববিদ ও ইংরেজ কবি অ্যাডউইন আর্নল্ড।
১৯১৫ - নোবেলজয়ী (১৯৭৬) মার্কিন ঔপন্যাসিক সল বেল।
১৯১৮- ফররুখ আহমদ, বাঙালি কবি।
১৯৪২ - আমানুল্লাহ আসাদুজ্জামান, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান: বাংলাদেশ) একজন শহীদ ছাত্রনেতা।

মৃত্যু:
১১৯০ - তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রোম সম্রাট ফ্রেডরিক বার্বারোসা
১৮৬৮ - সার্বিয়ার রাজা তৃতীয় মাইকেল।
১৯৪৮ - কবি অতুল প্রসাদ সেন।
১৯৪৯ - নোবেলজয়ী (১৯২৮) নরওয়েজীয় লেখিকা সিগরিদ উনসেট।
১৯৫১ - প্রাবন্ধিক এস ওয়াজেদ আলী।
১৯৬৫ - বিপ্লবী নেতা অতীন্দ্রনাথ।
২০০০ - সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হাফেজ আল আসাদ।

সুত্র: সময় সংবাদ

ইতিহাসের আজকের এই দিনে
আজ ৯ জুন, ২০২১, বুধবার। ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনা।

ঘটনাবলী:
৫৩ - রোমান সম্রাট নিরো ক্লডিয়া অক্টাভিয়াকে বিয়ে করেন এই দিনে।
৬৮ - রোমান সম্রাট নিরো আত্মহত্যা করেন।
১৫৩৫ - স্পেনীয় সৈন্যবাহিনী ল্যাতিন আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়ে দখল করে। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে ২৭৬ বছরের স্পেনীয় ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা হয়।
১৭৫২ - ভারতের ত্রিচিনোপলিতে ইংরেজদের কাছ ফরাসি সৈন্যরা আত্মসমর্পণ করে।
১৯১৫ - আমেরিকান গিটারিস্ট ‘লিস পল’ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইলেকট্রিক গিটারের বর্তমান রূপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৯৩১ - প্রথম ডোনাল্ড ডাক কার্টুন প্রদর্শিত হয়।
১৯৪০ - নরওয়ে জার্মানির কাছে আত্মসমর্পণ করে।
১৯৫৬ - আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৪০০ জনের মৃত্যু হয়।
১৯৫৭ - ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি ইডেন পদত্যাগ করেন।
১৯৬০ - চীনে টাইফুন মেরি আঘাত হানে। এক হাজার ৬০০ জনের মৃত্যু হয়।
১৯৬৭ - ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজয়ের পর মিসরের প্রেসিডেন্ট কামাল আবদেল নাসেরের পদত্যাগ।
১৯৭৩ - স্পেনে অ্যাডমিরাল রানেকা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।

জন্ম:
১৬৪০ - রোমান শাসক লিওপড।
১৬৭২ - রাশিয়ার প্রথম পিটার, ১৬৮২ থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাশিয়া শাসন করেন। (মৃত্যু-১৭২৫)
১৭৮১ - জর্জ স্টিফেনসন, ব্রিটিশ প্রকৌশলী ও লোকোমোটিভ আবিষ্কারক। (মৃত্যু-১৮৪৮)
১৮৩৬ - ইংল্যান্ডের প্রথম নারী মেয়র এলিজাবেথ গ্যারেট অ্যান্ডারসন।
১৮৪৩ - বের্টা ফন জুটনার, অস্ট্রীয় ঔপন্যাসিক এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম নারী কবি। (মৃত্যু-১৯১৪)
১৮৭৫ - হেনরি ডেল, ইংরেজ ওষুধ বিজ্ঞানী ও শারীর তত্ত্ববিদ। (মৃত্যু-১৯৬৮)
১৯১৫ - লেস পল, মার্কিন জ্যাজ, কান্ট্রি এবং ব্লুজ গিটারবাদক, গীতিকার এবং আবিষ্কারক। (মৃত্যু-২০০৯)
১৯১৬ - রবার্ট ম্যাকনামারা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন। (মৃত্যু-২০০৯)
১৯৩১ - নন্দিনী শতপতি, একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং লেখক ছিলেন। (মৃত্যু-২০০৯)
১৯৪৯ - কিরণ বেদি, অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় পুলিশ পরিষেবা কর্মকর্তা এবং সামাজিক কর্মী।
১৯৬৩ - জনি ডেপ, মার্কিন অভিনেতা, চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং সুরকার।
১৯৭৫ - অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস, ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৭৭ - উসমান আফজাল, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৮১ - ন্যাটালি পোর্টম্যান, ইসরায়েলী-মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।
১৯৮৪ - মাসুদ শোজেই, ইরানি ফুটবলার।
১৯৮৫ - সোনম কাপুর, ভারতীয় অভিনেত্রী।
১৯৮৭ - মুশফিকুর রহিম, বাংলাদেশি ক্রিকেটার।

মৃত্যু:
১৮৩৪ - উইলিয়াম কেরী, ব্রিটিশ খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক ও বাংলা গদ্যরীতির প্রবর্তক। (জন্ম-১৭৬১)
১৮৭০ - চার্লস ডিকেন্স, ঊনবিংশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইংরেজ ঔপন্যাসিক। (জন্ম-১৮১২)
১৯০০ - বিরসা মুন্ডা, ভারতের রাঁচি অঞ্চলের মুন্ডা আদিবাসী ও সমাজ সংস্কারক। (জন্ম-১৮৭৫)
১৯৫৮ - রবার্ট ডোনাট, ইংরেজ চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা। (জন্ম-১৯০৫)
১৯৮৯ - জর্জ ওয়েলস বিডেল, মার্কিন জিনবিজ্ঞানী। (জন্ম-১৯০৩)
২০১১ - মকবুল ফিদা হুসেন, ভারতের জনপ্রিয় চিত্রশিল্পী। (জন্ম-১৯১৫)
২০১৫ - হেমন্ত কানিদকর, ভারতীয় ক্রিকেটার।

(সুত্র: সময় সংবাদ)

আন্তর্জাতিক সমুদ্র দিবস আজ ৮ জুন। ১৯৯২ সালের এই দিনে দিবসটি পালন শুরু হয়েছিলো। সে বছর ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরোতে সংঘটিত ধরিত্রী সম্মেলনে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এরপর ২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে গৃহীত ১১১নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী ২০০৯ সাল থেকে দ্যা ওসেন প্রজেক্ট এবং ওয়ার্ল্ড ওসেন নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে প্রতি বছরের ৮ জুন আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি পলিত হচ্ছে। মূলত ২০০৯ সাল থেকে বিশ্ববাসী ৮ জুনকে পালন করে আসছে বিশ্ব মহাসাগর দিবস হিসেবে। দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো, সাগর-মহাসাগর সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বাড়িয়ে তোলা।

সাগর-মহাসাগরকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। আমাদের অক্সিজেনের সবচেয়ে বড় জোগানদাতা হলো এসব সাগর আর মহাসাগর। পৃথিবীর তিন ভাগ জল আর এক ভাগ স্থল। ফলে ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এলাকায় নানামুখী সংকট বিদ্যমান। গোটা বিশ্বে সমুদ্র ও উপকূলবর্তী এলাকার উদ্ভিদ ও প্রাণিজগত আজ বিপন্ন প্রায়। পৃথিবীতে মানব জাতির টিকে থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হল সাগর। খাদ্য, ওষুধসহ বিভিন্ন উপাদানের সঙ্গে আমাদের বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের একটি বড় অংশ আসে মহাসাগর থেকে। তাছাড়া মহাসাগরগুলো বায়ুমণ্ডলর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে। কিন্তু মানুষের নানাবিধ কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জলবায়ুর বৈরী থাবায় মহাসাগরগুলোর প্রতিবেশ ব্যবস্থা প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে এর জীববৈচিত্র্য। এই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে সচেতনতা সৃষ্টিতে বিশ্ব মহাসাগর দিবস পালন করা হয় প্রতিবছরের ৮ জুন।

ইতিহাসের এই দিনে
আজ ৮ জুন, ২০২১, মঙ্গলবার। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনা।

ঘটনাবলি:
১৬২৪ - পেরুতে ভূমিকম্প আঘাত হানে।
১৬৫৮ - পুত্র আওরঙ্গজেব পিতা মোগল সম্রাট শাহজাহানকে ৫ দিন অন্তরীণ রেখে আগ্রা দুর্গ দখল করেন।
১৭০০ - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সুতানুটির বদলে ক্যালকাটা লেখা শুরু করে।
১৮৩০ - জার্মান আবিষ্কারক কামবোর্জ দিয়াশলাই আবিষ্কার করেন।
১৮৫৫ - পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে এক ভয়াবহ ভূমিকম্প হলে সেখানে অগ্নিকান্ড ছড়িয়ে পড়ে এবং এর ফলে শহরটির অধিকাংশ স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যায়।
১৯২৩ - বুলগেরিয়ায় ফ্যাসিস্ট বাহিনী ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ক্ষমতায় আসে।
১৯৩০ - রুমানিয়ার রাজা দ্বিতীয় ক্যারালের সিংহাসন পুনর্দখল।
১৯৩৬ - ইন্ডিয়ান স্টেট ব্রডকাস্টিং সার্ভিসের নাম বদলে অল ইন্ডিয়া রেডিও রাখা হয়।
১৯৩৮ - জাপান চীনে বোমা বর্ষণ শুরু করে। চীনে জাপানের এই বোমা বর্ষণ দশ দিন ধরে অব্যাহত ছিল।
১৯৩৯ - ইংল্যান্ডের রাজা ষষ্ঠ জর্জ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান।
১৯৪৮ - ভারত-ব্রিটেন আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু।
১৯৪৯ - শ্যাম দেশের নাম বদলে থাইল্যান্ড রাখা হয়।
১৯৫৯ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে পারমাণবিক শক্তিচালিত প্রথম সাবমেরিন তৈরি করে।
১৯৬৩ - আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন ধূমপান বিরোধী প্রচার শুরু করে।
১৯৬৮ - বারমুডার সংবিধান গৃহীত হয়।
১৯৬৮ - মার্কিন সিনেটর রবার্ট এফ কেনেডি আর্লিংটনে চিরনিদ্রায় শায়িত হন।
১৯৭০ - আর্জেন্টিনায় সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে।
১৯৮৮ - নাইজেরিয়ায় একনায়ক সানি আবাচারের আকস্মিক মৃত্যুর মধ্য দিয়ে দেশটিতে গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত।
১৯৯০ - ৪৪ বছরের মধ্যে চেকোশ্লোভাকিয়ায় প্রথম অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত। যেখানে ডাকলাভ হাভেল প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
১৯৯১ - পাকিস্তানের ঘোটকিতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১০০ লোক নিহত।
১৯৯২ - ইহুদিবাদী ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ প্যারিসে অবস্থানরত একজন ফিলিস্তিনী নেতাকে হত্যা করে।
১৯৯৫ - সাইপ্রাসে ৯৯% ভোটার পৃথক তুর্কী সাইপ্রিয়ট রাষ্ট্রের পক্ষে রায় দেয়।
২০০২ - বাংলাদেশ পূর্ব তিমুরকে স্বীকৃতি দেয়।

জন্ম:
১৩১৮ - রাজা দ্বিতীয় এডওয়ার্ডের কন্যা ইলিওনা প্ল্যান্টাগ্যানেটের জন্ম।
১৯৫৫ - টিম বার্নার্স-লি, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক এর জন্ম।

মৃত্যু:
১৮০৯ - ব্রিটেনের বিখ্যাত লেখক ও দার্শনিক থমাস পাইন পরলোকগমন করেন।
১৮৪৫ - এন্ড্রু জ্যাক্সন,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম রাষ্ট্রপতি এর মৃত্যু।
১৯৫৩ - টর্নেডোতে মিশিগান ও ওহাইয়োতে ১১০ জনের মৃত্যু।
১৯৬৯ - হলিউডের খ্যাতনামা অভিনেতা রবার্ট টেলরের মৃত্যু।
১৯৭০ - আব্রাহাম মাসলো, একজন আমেরিকান মনোবিজ্ঞানী এর মৃত্যু।
১৯৯৮ - সানি আবাচা, নাইজেরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতি এর মৃত্যু।

দিবস:
আজ আন্তর্জাতিক মহাসাগর দিবস।
আজ আন্তর্জাতিক আল-কুদস দিবস।

সুত্র: সময় সংবাদ

৫ জুন - বিশ্ব পরিবেশ দিবস
----------------
বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক কর্মোদ্যোগ আর জনসচেতনতার মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতার লক্ষ্যে পালিত দিবস। এই দিনটিতেই জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ কনফারেন্স (ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন দ্য হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট)। এই কনফারেন্স হয়েছিল ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের ৫ থেকে ১৬ জুন অবধি। এই কনফারেন্স ওই বছরই চালু করেছিল রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা। তখন থেকেই প্রতি বৎসর এই দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে। প্রতি বছরই দিবসটি আলাদা আলাদা শহরে, আলাদা আলাদা প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পালিত হয়। উত্তর গোলার্ধে দিবসটি বসন্তে আর দক্ষিণ গোলার্ধে দিবসটি শরতে পালিত হয়।

বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর গ্যাস নির্গমন আর প্রচুর পরিমাণ ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিষ্কাশনের ফলে দিন দিন পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে । সেই সঙ্গে পরিবর্তিত হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমন্ডল এবং জলবায়ুর। যার ফলাফল স্বরূপ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে সম্পূর্ণ তলিয়ে যেতে পারে ভারতের পূর্বাঞ্চলের বেশ কিছুটা জায়গা, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ আর শ্রীলংকাসহ পৃথিবীর নিম্নভূমির দেশসমূহ। পরিবেশ রক্ষায় তথা পৃথিবী রক্ষায় আজ প্রয়োজন সচেতন উদ্যোগের। যার যত টুকু সাধ্য তত টুকু দিয়েই চেষ্টা করা দরকার পৃথিবীটাকে বাসযোগ্য রাখার। আমাদের সাধ্যের মধ্যে আছে এমন অনেক বিষয়ই রয়েছে। যেমন-
১) গাছপালা নিধন না করা আর অন্যকে নিধনে নিরুৎসাহিত করা এবং নিজে বেশি করে গাছ লাগানো আর অন্যকে গাছ লাগানোয় উৎসাহিত করা।
২) গাড়ির ক্ষতিকর/ কালো ধোঁয়া বন্ধ রাখার চেষ্ঠা করা এবং অন্যকে এ ব্যাপারে সচেতন করা।
৩) পাহাড় কাটা বন্ধ রাখা এবং এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন করা।
৪) ময়লা আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলা এবং বর্জ্য পদার্থ যেখানে সেখানে নিস্কাশিত না করা।
৫) বাড়ির ফ্রিজটি সময় সময় সার্ভিসিং করিয়ে নেওয়া। এ রকম আরও অনেক বিষয় যা পরিবেশ/পৃথিবীর জন্য ক্ষতিকর সেগুলো বন্ধ করা বা বন্ধ করার জন্য জনগণকে সচেতন করার শপথ নেওয়ার অনুপ্রেরণা দেয় এই দিনটি।

সূত্র: উইকিপিডিয়া ও somewhereinblog.net

ইতিহাসের এই দিনে
আজ ০৩ জুন ২০২১ বৃহস্পতিবার (২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ)। গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি অনুসারে বছরের ১৫৪তম দিন। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:
১০৯৮ - খ্রিস্টানদের এন্টিয়ক দখল। ১৩ হাজার মুসলমানকে হত্যা।
১৫০২ - পর্তুগিজ নৌ অভিযাত্রী ভাস্কো-দা-গামা ভারতের কালিকট বন্দরে এক নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল।
১৬৬৫ - ডিউক অব ইয়র্ক জেমস স্টুয়ার্ট ওলন্দাজ নৌ-রণতরীকে পরাজিত করেন।
১৬৬৫ - লোয়েস্টফটের যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে ওলন্দাজদের পরাজয়।
১৭৮৯ - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় লবণ উৎপাদন নিষিদ্ধ করে।
১৯১৫ - ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করে।
১৯৩৬ - অবিভক্ত ভারতের সিভিলিয়ান রেডিওর নাম পরিবর্তন করে অল ইন্ডিয়া রেডিও নামকরণ।
১৯৪০ - জার্মান বিমানবাহিনী ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ওপর বোমা বর্ষণ শুরু করে।
১৯৪০ - সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ শাসনের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৪৬ - ভারতের জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক নেতারা ব্রিটিশ সরকার প্রস্তাবিত ভারত বিভাজন প্রস্তাব মেনে নেন।
১৯৪৭ - ব্রিটিশ সরকার ভারত বিভাগের পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।
১৯৪৯ - আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৬৯ - ভাষাবিজ্ঞানী অধ্যাপক মুহম্মদ আবদুল হাই ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত হন।
১৯৭১ - জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে হানাদার বাহিনীর অত্যাচার মানব ইতিহাসের সর্বাধিক বিষাদময় ঘটনা।
১৯৭৮ - বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান বিজয় লাভ করে।
১৯৮৪ - ভারত সরকার শিখদের পবিত্র হরমন্দির সাহিব দখলের জন্য অপারেশন ব্লু স্টার শুরু করে; এটি ৮ জুন পর্যন্ত পরিচালিত হয়।
১৯৮৯ - চীন সরকার তিয়েনআনমেন স্কয়ার থেকে অবরোধকারীদের বিতারণের জন্য সেনা প্রেরণ করে।
১৯৯৯ - যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোভেদান মিলোশোভিচ কোসভো থেকে সৈন্য সরিয়ে নিতে সম্মত হয়।
২০০০ - মন্টেনিগ্রো কর্তৃক স্বাধীনতা ঘোষণা।

জন্ম:
১৭২৩ - জিওভান্নি আন্তোনিও স্কোপোলি, তাইরলীয় চিকিৎসক ও প্রকৃতিবিদ।
১৯০৬ - জোসেফিন বেকার, আমেরিকান বংশদ্ভূত ফ্রেন্স নৃত্যশিল্পী, সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী।
১৯০৬ - ওয়াল্টার রবিন্স, বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ফুটবলার ছিলেন।
১৯১০ - পলেট গডার্ড, আমেরিকান অভিনেত্রী এবং মডেল।
১৯১১ - এলেন কর্বি, মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯১৯ - ছায়া দেবী (চট্টোপাধ্যায়), প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।
১৯২০ - অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার, বিশিষ্ট অধ্যাপক, গবেষক ও পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি’র ভূতপূর্ব সভাপতি।
১৯২৪ - করুণানিধি মুথুবেল, ভারতীয় রাজনীতিক এবং ভারতের তামিল নাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।
১৯২৫ - টনি কার্টিস, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা।
১৯২৬ - অ্যালেন গিন্সবার্গ, মার্কিন কবি এবং লেখক।
১৯২৮ - জন রিচার্ড রিড, সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৩১ - রাউল কাস্ত্রো, কিউবার রাষ্ট্রপতি এবং ফিদেল কাস্ত্রোর ভাই।
১৯৬০ - কার্ল রেকেম্যান, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৬৬ - ওয়াসিম আকরাম, সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেট খেলোয়াড়।
১৯৬৮ - সাফ্রন, একজন ইংরেজ গায়িকা।
১৯৮২ - ইয়েলেনা ইসিনবায়েভা, ভলগোগ্রাদে জন্মগ্রহণকারী রাশিয়ার বিখ্যাত প্রমিলা পোল ভল্টার।
১৯৮৫ - উকাশ পিশ্চেক, পোল্যান্ডের একজন পেশাদার ফুটবলার।
১৯৮৬ - রাফায়েল নাদাল, স্পেনের একজন পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৯১ - উকাশ তেওদোর্চেক, পেশাদার ফুটবলার।
১৯৯২ - মারিও গোটজে, জার্মান ফুটবলার।

মৃত্যু:
১৬৫৭ - উইলিয়াম হার্ভে, ইংরেজ চিকিৎসক।
১৯০৮ - গোপাল সেনগুপ্ত, বাঙালি, ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।
১৯২৪ - ফ্রান্‌ৎস কাফকা, জার্মান ও চেক উপন্যাস ও ছোটগল্প লেখক।
১৯৬১ - কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কৃষিবিজ্ঞানী,শিক্ষাবিদ ও লেখক।
১৯৬৩ - নাজিম হিকমত, তুর্কি কবি এবং লেখক।
১৯৬৩ - ধর্মগুরু ত্রয়োদশ পোপ জনের মৃত্যু।
১৯৬৯ - সাহিত্যিক মুহম্মদ আবদুল হাই।
১৯৭৭ - আর্চিবাল্ড ভি. হিল, ইংরেজ শারীরতত্ত্ববিদ।
১৯৭৫ - এইসাকু সাতো, জাপানি রাজনীতিবিদ।
১৯৮৪ - ঐতিহাসিক আবু মহামেদ।
১৯৮৭ - রুহুল্লাহ্‌ খামেনেই, ইরানি ধর্মীয় নেতা ও রাজনীতিবিদ।
১৯৯০ - রবার্ট নয়েস, আমেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী এবং ইন্টেল করপোরেশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা।
২০০১ - অ্যান্থনি কুইন, মার্কিন অভিনেতা।
২০১৪ - প্রবীণ সাংবাদিক বেনজীর আহমেদ।
২০১৬ - মোহাম্মদ আলী, মার্কিন বক্সার।
২০২০ - বলিউডের বিশিষ্ট গীতিকার আনোয়ার সাগর।

দিবস:
বিশ্ব সাইকেল দিবস।

(সুত্র: সময় সংবাদ)

ইতিহাসের এই দিনে
আজ ২৮ মে ২০২১, শুক্রবার। ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ।
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:
১৭৫৭ - ব্রিটিশ কর্তৃক মীর জাফরকে বাংলার নবাব ঘোষণা।
১৮০৪ - নেপোলিয়ন বোনাপোর্ট নিজেকে ফ্রান্সের সম্রাট ঘোষণা।
১৮৭১ - প্যারি কমিউনের পতন ঘটে।
১৯১৮ - আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৯১৯ - ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম মহাযুদ্ধ সমাপ্ত।
১৯৩৭ - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট একটি সুইচ টিপে ক্যালিফোর্নিয়া সানফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন গেট ব্রিজ উদ্বোধন করেন।
১৯৪০ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির কাছে বেলজিয়াম আত্মসমর্পণ করে।
১৯৫২ - গ্রিসের নারীদের ভোটাধিকার অর্জিত হয়।
১৯৬৪ - নয়াদিল্লীতে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং কংগ্রেস নেতা পন্ডিত জওহারলাল নেহেরুর অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
১৯৬৪ - ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলও গঠিত হয়।
১৯৮৭ - ম্যাথু রাস্ট নামে ১৯ বছর বয়সী এক অ্যামেচার বিমান চালক ক্রেমলিনের রেড স্কোয়ারে ছোট একটি সেনা বিমান অবতরণ করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলো।
১৯৯১ - ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবাতে বিদ্রোহীদের ট্যাংকবহর প্রবেশ করতে থাকে এবং দেশটিতে ১৭ বছরের মার্ক্সবাদী শাসনের অবসান ঘটে।
১৯৯৫ - রাশিয়ার নেস্তেগস্কর শহরে প্রবল ভূমিকম্প। দুই হাজার লোকের প্রাণহানি।
১৯৯৬ - ভারতে বাজপেয়ী সরকারের পতন। দেবগৌড়া প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত।
১৯৯৮ - পাকিস্তান ৫টি পারমাণবিক বোমার সফল পরীক্ষা করেছে বলে ঘোষণা করে।

জন্ম:
১৭৭৯ - আইরিশ কবি টমাস মুর।
১৯০৭ - ঔপন্যাসিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক সত্যেন সেন।
১৯১২ - নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত জার্মান লেখক পেট্রিক হোয়াইট।
১৯৩০ - ফ্রাঙ্ক ড্রেক, মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী।

মৃত্যু:
১৯৩৭ - অস্ট্রীয় মনোবিজ্ঞানী আলফ্রেড অ্যাডলার।
১৯৭৬ - শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
১৯৯৪ - সাহিত্যিক ও রাজনীতিক আসহাব উদ্দীন

সুত্র: সময় সংবাদ

#ইতিহাসের_এই_দিনে

৭৩২ হিজরির ১ রমজান (২৭ মে, ১৩৩২ খ্রি:) জন্মগ্রহণ করেন সমাজবিজ্ঞান ও ইতিহাসতত্ত্বের জনক দার্শনিক, প্রধান বিচারপতি ও বিজ্ঞানী ইবনে খালদুন আল হাদরামি।

তার সম্পর্কে ডাচ পণ্ডিত টি জে দ্যা বোয়ার বলেছেনঃ "ইবনে খালদুন চেয়েছিলেন তার কোনো উত্তরসূরির দ্বারা তার সূচিত গবেষণা বাস্তবায়িত হোক; কিন্তু সেটি সম্ভব হয়নি। তার যেমন কোনো পূর্বসূরি ছিলেন না, তেমনি তার কোনো উত্তরসূরি নেই। তিনি জ্ঞানের জগতে এককভাবে অপ্রতিন্দ্বী ব্যক্তি হিসেবে রয়ে গেলেন। "

জ্ঞানের রাজ্যে ইবনে খালদুনের বিচরণ অর্ধ-শতাব্দীর কিছু বেশী। কারাবাস ও রাজনৈতিক ডামাডোলের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকার পরও জ্ঞানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবদান দেখলে বিস্ময়ে মাথা নোয়ানো ছাড়া উপায় নেই।

শিল্প, সাহিত্য, ইতিহাস প্রভৃতি বিষয়ে তার অমূল্য অবদানের জন্যে আজও সমগ্র বিশ্বে অমর হয়ে আছেন। ব্যক্তি স্বার্থের জন্যে কখনো অন্যায় ও অসত্যের কাছে মাথা নত করেননি, জ্ঞান সাধনার উদ্দেশ্যে দেশ থেকে দেশান্তরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, ভোগ বিলাসকে উপেক্ষা করে সারাটা জীবন কাটিয়েছেন মানুষের কল্যাণে এবং জালেম শাসকদের স্বৈরশাসনকে সমর্থন না দিয়া কারাগারে কাটিয়েছেন মাসের পর মাস, বছরের পর বছর।

তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি "কিতাব আল ইবার ওয়া দিওয়ান আল মুবতাদা ওয়া আল খবর ফি আয়্যাম আল আজম ওয়া আল বার্বার"। এটি সাত খন্ডে রচিত। এর ভূমিকাই ভুবন বিখ্যাত ‘আল মুকাদ্দিমা’ হিসেবে। ১২৪৮ হিজরিতে কায়রো থেকে এটি প্রথম সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি এফ. রজেন্থাল কর্তৃক ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে ১৯৫৮ সালে নিউ ইয়র্ক থেকে তিন খণ্ডে প্রকাশিত হয়। তৎকালীন সময়ের জ্ঞানের খুব কম শাখাই ছিল যার আলোচনা এতে গভীর পাণ্ডিত্যের সাথে তিনি করেন নি।

ইবনে খালদুনের আরবী ভাষায় যে পরিমাণ চর্চা হয়েছে, স্বাভাবিকভাবেই অন্য কোন ভাষায় এতোটা হয় নি। মজার বিষয় হল পাশ্চাত্যের পন্ডিতরাও সমানভাবে ইবনে খালদুনকে আজও সমাদর করেন। বিশেষ করে ইংরেজি ও জার্মান ভাষায় তার উপর লেখা গ্রন্থের সংখ্যা মোটেই অপ্রতুল নয়। তবে বাংলা ভাষায় ইবনে খালদুনের উপর বিস্তারিত কাজ একেবারেই কম। ইবনে খালদুনের সবচেয়ে বিখ্যাত কিতাব “আল মোকাদ্দিমা” প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন গোলাম সামদানি কোরায়শি যা প্রথম প্রেসের মুখ দেখে ১৯৮২ সালে।

তার জীবনীর উপর বাংলাদেশে প্রথম এমফিল গবেষণা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের গবেষক আব্দুল করিম। ২০১৫ শিক্ষাবর্ষে তার “সমাজ বিবর্তনে ইবনে খালদুনের চিন্তাধারা” শীর্ষক অভিসন্দর্ভটি বাংলায় ইবনে খালদুন চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে থাকবে। এটি ডাউনলোড করে পড়ার সুযোগ আছে।

মিশরের প্রধান কাযী পদে থাকাকালীন অবস্থাতে ৮০৮ হিজরি মোতাবেক ১৭ মার্চ ১৪০৬ সালে ইন্তেকাল করেন ইবনে খালদুন। ছবিটি তার স্মরণে তিউনিসিয়ার একটি ডাক টিকেট স্মারক।

(ইসলামের হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস)

ইতিহাসের এই দিনে
আজ ২৭ মে ২০২১, (১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ) বৃহস্পতিবার। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:
১৬৭৯ - ব্রিটেন হ্যাভিয়াস কার্পাস আইন প্রবর্তন।
১৭০৩ - পিটার দি গ্রেট কর্তৃক সেন্ট পিটার্সবুর্গ (লেনিনগ্রাদ) শহরের পত্তন হয় ।
১৭৬৭ - কলকাতায় প্রথম প্রোটেস্ট্যান্ট গির্জা নির্মিত।
১৮৩৭ - আলজেরিয়ার স্বাধীনতাকামী নেতা আবদুল কাদেরের সঙ্গে ফ্রান্স সরকারের একটি শান্তিচূক্তি হয়।
১৮৮৩ - তৃতীয় আলেকজান্ডার রাশিয়ার রাজা হন।
১৯১৯ - জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ করে বড়লাট লর্ড চেমস ফোর্ডকে চিঠি দেন।
১৯১৯ - এনসি-৪ এয়ারক্রাফট অবতরণ করে লিসবনে, প্রথম উড্ডয়ন শেষ করে।
১৯২৬ - মরোক্কোর রিফ এলাকায় ফরাসি ও স্পেনীয় উপনিবেশবাদীদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের ঐতিহাসিক গণপ্রতিরোধ বা বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
১৯২৭ - বৈমানিক চার্লস লিন্ডবার্গ বিমান চালিয়ে বিশ্বে প্রথম আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেওয়ার জন্য যাত্রা শুরু করেন।
১৯৩০ - নিউইয়র্কে ১০৪৬ ফুট বিল্ডিংটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়, যেটি সে সময় মানুষের তৈরি দীর্ঘতম ভবন।
১৯৩২ - খ্যাতনামা সাহিত্যিক ও মানবতাবাদী রমাঁ রল্যাঁ ও অঁরি বারব্যুস যৌথভাবে আন্তর্জাতিক যুদ্ধবিরোধী সমাবেশ আহ্বানে করেন।
১৯৫২ - ইউরোপীয় প্রতীরক্ষা গোষ্ঠী গঠিত হয়।
১৯৭২ - যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে সল্ট-১ চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৮৯ - বার্মার সামরিক শাসকগোষ্ঠী দেশের নাম পরিবর্তন করে দ্য ইউনিয়ন অব মায়ানমার রাখে এবং রেঙ্গুনের নাম পালটে রাখে ইয়াঙ্গুন।
২০০৬ - ‘জাভা’ ভূমিকম্প ভোর ৫টা ৫৩ মিনিটের সময় তীব্র আঘাত করে ইওগাকার্তায়। প্রায় ৬ হাজার ৬০০ লোকের প্রাণহানি ঘটে।

জন্ম:
১৩৩২ - আরব গণিতবিদ দার্শনিক ইবনে খালদুন।
১৮৫২ - বিলি বার্নস, পেশাদার ইংরেজ ক্রিকেটার।

মৃত্যু:
১৯১০ - নোবেল বিজয়ী জার্মান জীববিজ্ঞানী রবার্ট কখ।
১৯৩০- স্পেনীয় কথাসাহিত্যিক গাব্রিয়েল মিরো।
১৯৬৪ - ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।
১৯৮৬ - পশ্চিম বাংলার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অজয় মুখোপাধ্যায়।
১৯৩০ - স্পেনীয় কথাসাহিত্যিক গাব্রিয়েল মিরো।

সুত্র: সময় সংবাদ

#ইতিহাসের_এই_দিনে

২৬ মে, ১৪২১ সালে ইন্তেকাল করেন উসমানীয় সালতানাতের পঞ্চম শাসক সুলতান প্রথম মুহাম্মাদ। তার পিতা ছিলেন প্রথম বায়জিদ যাকে ভীত ইউরোপীয়রা নাম দিয়েছিল “ইলদিরিম/বজ্র” আর তার সন্তান হলেন মহান মুজাহিদ সুলতান প্রথম মুরাদ।

১৪০২ সালে তইমুর লঙ্গের নিকট পরাজয় এবং সুলতান বায়যিদের মৃত্যুর পর উসমানীয় সালতানাতের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে। বিভিন্ন ভাইদের মাঝে শাসনক্ষমতা নিয়ে কোন্দল আরম্ভ হয়। শেষ পর্যন্ত ১৪১৩ সালে সুলতান প্রথম মুহাম্মাদ একক শাসক হিসেবে আবির্ভূত হন। তিনি সালতানাতকে গৃহযুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা করে ঐক্য ফিরিয়ে আনেন এবং শাসনকে শক্তিশালী করেন। এ কারণে অনেক ঐতিহাসিক তাকে সালতানাতের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে অভিহিত করেন। সুলতান মোট আট বছর ক্ষমতায় ছিলেন। এই স্বল্প সময়েই তিনি নিজেকে দক্ষ রাজনীতিবিদ ও বিচক্ষণ শাসক হিসেবে পরিচয় করাতে সক্ষম হন। জন্মস্থান বুরসায় তাকে দাফন করা হয় (ছবিতে)।

বাঙালীর 'রাজা', রাজা রামমোহন রায়
আধুনিক ভারতের স্থাপতি এবং 'ভারতের নবজাগরণের জনক' তিনি ।
আজ সেই রাজা রামমোহন রায়ের জন্মবার্ষিকী

"ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা,
তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা,
ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরা।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
ও সে সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি।
সে যে আমার জন্মভূমি, সে যে আমার জন্মভূমি।।" 🥰

~দ্বিজেন্দ্রলাল রায়

বাংলা সাহিত্যের পঞ্চগীতি কবিদের মধ্যে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৯জুলাই ১৮৬৩ - ১৭মে ১৯১৩) অন্যতম একজন🤗
বাংলা সাহিত্যে তাঁর আবির্ভাব মূলত কবি হিসেবে ঘটলেও তার জীবনব্যাপিয়া বাংলা সাহিত্য সময়ের পরিবর্তনে ক্ষণে ক্ষণে সাহিত্যের বিচিত্র শাখায় তাঁর সফল পদচারণা দেখেছে😍
বিশেষ করে সুরের দুনিয়ায় তিনি রেখে গেছেন অতুলনীয় সব নিদর্শন আর গান থেকে শুরু করে নাটক,কবিতা-সাহিত্যের সকল শাখায় তাঁর এই পদচারণা যেনো অবিস্মরণীয় নতুনত্বেরই পরিচারক☺
বাংলা সাহিত্য তাই এই প্রতিভাধরের কাছে ঋণী!

আজ রবিবার, ১৬ মে। ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস। ৪৫ বছর আগে ১৯৭৬ সালের এই দিনে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দান থেকে ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেন।

ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাব ও এর বিভিন্ন ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে লংমার্চ চাপাইনবয়াবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট হাইস্কুল মাঠে শেষ হয়।


১৯৭৬ সালের ১৬ মে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দান থেকে লংমার্চ শুরু হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে গিয়ে শেষ হয়। দিনটি ছিল রোববার। সকাল ১০টায় রাজশাহী থেকে শুরু হয় জনতার পদযাত্রা। হাতে ব্যানার আর ফেস্টুন নিয়ে অসংখ্য মানুষের ঢল নামে রাজশাহীর রাজপথে। দুপুর দুইটায় হাজার হাজার মানুষের স্রোত জেলার গোদাগাড়ীর প্রেমতলী গ্রামে গিয়ে পৌঁছায়। সেখানে মধ্যাহ্ন বিরতির পর আবার যাত্রা শুরু হয়। সন্ধ্যা ছয়টায় লংমার্চ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গিয়ে রাতযাপনের জন্য সে দিনের মতো শেষ হয়। মাঠেই রাত যাপন করার পরদিন সোমবার সকাল আটটায় আবার যাত্রা শুরু হয় শিবগঞ্জের কানসাট অভিমুখে।
ভারতীয় সীমান্তের অদূরে কানসাটে পৌঁছানোর আগে মহানন্দা নদী পার হতে হয়। হাজার হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেয় এই লংমার্চে। তারা নিজেরাই নৌকা দিয়ে সেতু তৈরি করে মহানন্দা নদী পার হয়।

কানসাট হাইস্কুল মাঠে পৌঁছানোর পর সমবেত জনতার উদ্দেশে মওলানা ভাসানী তার জ্বালাময়ী ভাষণ দেন। তিনি বলেন, আজ রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কানসাটে যে ঐতিহাসিক লংমার্চ শুরু হয়েছে তা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করবে।মওলানা ভাসানী এখানেই লংমার্চের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

স্থানীয়রা জানান, ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাবে চাপাইনবয়াবগঞ্জে কিছুঅংশ মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

ছবিটি কানসাট হাইস্কুল এর। এই স্কুল মাঠে মাওলানা ভাসানী এক সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

আন্তর্জাতিক নার্স দিবসের শুভেচ্ছা রইল 💐

আজ ১০ মে

#ঘটনাবলি:
১৫০৩ - ক্রিস্টোফার কলম্বাস স্যানে আইল্যান্ড ভ্রমণ করেন।

১৫২৬ - পানিপথের যুদ্ধ জয় করে মোগল সম্রাট বাবর আগ্রায় প্রবেশ করেন।

১৭৭৩ - গ্রেট ব্রিটেনের সংসদে চা-আইন পাস হয়।

১৭৭৪ - লুইস ফ্রান্সের রাজা এবং মেরি অ্যাস্টোইলেট রানী হন।

১৭৭৪ - বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত রাজা রামমোহন রায়ের জন্ম।

১৮২৪ - লন্ডনে জাতীয় গ্যালারি জনগণের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

১৮৫৭ - ভারতবর্ষে বৃটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সিপাহী বিপ্লবের সূচনা হয়।

১৮৬৩ - বাঙালি লেখক, বাংলা মুদ্রণের পথিকৃৎ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্ম।
১৮৭১ - ফ্রান্সের দ্বিতীয় সম্রাট লুই নেপোলিয়ন বা তৃতীয় নেপোলিয়নের শোচনীয় পরাজয় ফ্র্যাংকফুট চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত রূপ পরিগ্রহ করে।

১৮৭২ - ভিক্টোরিয়া উডহল যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মহিলা, যিনি প্রেসিডেন্ট পদের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।

১৯০৫ - কণ্ঠশিল্পী পঙ্কজকুমার মল্লিকের জন্ম।

১৯৩৩ - বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নাৎসিরা পঁচিশ হাজার বই পুড়িয়ে দেয়।

১৯৪০ - জার্মানি নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ ও বেলজিয়াম দখল করে নেয়।

১৯৪১ - ব্যাপক বোমা বর্ষণের ফলে লন্ডনের হাউস অব কমন্স ধ্বংস হয়।

১৯৭৪ - সিলভ্যা উইল্টর্ড, ফরাসি ফুটবল খেলোয়াড় এর জন্ম।

১৯৮৫ - সাহিত্যিক প্রমথনাথ বিশীর মৃত্যু।

১৯৯৪ - নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

আজ ৯ই মে দেশবরেণ্য পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী এই বিজ্ঞানী ১৯৪২ সালের ১৬ ফ্রেরুয়ারি লালদিঘীর ফতেহপুরে একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

বঙ্গবন্ধুর জামাতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন।

বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়া ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নৃশংস হত্যাকান্ডের পর দীর্ঘ ৭ বছর নির্বাসিত জীবন কাটান।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরের পদার্থ বিজ্ঞান, ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের ছাত্রদের জন্য দু’টি গ্রন্থ রচনা করেছেন।এছাড়া তার লেখা ৪৬৪ পৃষ্ঠার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ’ শিরোনামের গ্রন্থটি ১৯৯৩ সালের জানুয়ারিতে এবং ৩২০ পৃষ্ঠার ‘বাংলাদেশের রাজনীতি ও সরকারের চালচিত্র’ শিরোনামের গ্রন্থটি ১৯৯৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড কর্তৃক প্রকাশিত হয়। বহুল রাজনৈতিক ঘটনা সংবলিত এই দুটি গ্রন্থ সুধী পাঠকদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়।তিনি ২০০৯ সালের ৯ মে ইন্তেকাল করেন।

আজ, ৯ ই মে, মা দিবস! শুধু আজকের দিনেই নয় বরং বছরের ৩৬৫ দিনেই মাকে তার প্রাপ্ত সম্মান ও ভালোবাসা দেওয়া উচিত সকলের! 💙

#happymothersday 💜

আজ বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস
পরিযায়ী পাখির আবাসস্থলকে নিরাপদ রাখা ও বিচরণস্থল সংরক্ষণে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিবছর ‘বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস’ পালিত হয়। আজ (৮ মে) বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস।
‘পাখির মতো গান গাই, উড়ে যাই সুউচ্চ দিগন্তে’- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পালন করা হবে এবারের দিবসটি।
পরিযায়ী পাখিদের সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বাড়াতে ২০০৬ সাল থেকে এই দিবস পালন শুরু করা হয়।

আজ ৭ মে : ইতিহাসের পাতা থেকে

পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন অনেক জ্ঞানী-গুণিজন। একের পর এক রচনা করেছেন এবং করছেন ইতিহাসের পাতা। উন্মোচিত হয়েছে জগতের নতুন নতুন দিগন্ত। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সেই ইতিহাস চিন্তা, চেতনা ও প্রেরণার উৎস। যারা জন্মেছিলেন কিংবা চলে গেছেন আজকের এই দিনে। আবার বহু ঘটনাই রয়েছে ফেলে আসা সময়ের পথে। যেসব ঘটনা এনেছিল প্রশান্তি কিংবা রচনা করেছে অনাকাঙ্ক্ষিত দুঃস্বপ্নে নীলকাব্য। যা ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনেই। আসুন জেনে নেওয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা-

জন্ম
১৭৭০ সালের এই দিনে ইংরেজ কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ জন্মগ্রহন করেন।
১৮১২ সালের এই দিনে ইংরেজ কবি রবার্ট ব্রাউনিং জন্মগ্রহন করেন।
১৮৪০ সালের এই দিনে রুশ সঙ্গীতজ্ঞ পিওৎর চাইকোভস্কি জন্মগ্রহন করেন।
১৮৬১ সালের এই দিনে আইনজীবী ও জাতীয়তাবাদী নেতা মতিলাল নেহরু জন্মগ্রহন করেন।
১৮৬৭ সালের এই দিনে পোলিশ কথাসাহিত্যিক ভাদিস্লাভ স্ট্যানিশস্লাভ রেইমন্ট জন্মগ্রহন করেন।
১৮৮১ সালের এই দিনে রবীন্দ্র সাহিত্যের অনুবাদক উইলিয়ামস পিয়ারসন জন্মগ্রহন করেন।
১৮৮৯ সালের এই দিনে লেখক গ্যাব্রিলা মিস্ত্রাল জন্মগ্রহন করেন।
১৮৯২ সালের এই দিনে যুগোশ্লাভিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপ্রধান মার্শাল জোসিপ ব্রজ টিটো জন্মগ্রহন করেন।
১৮৯৩ সালের এই দিনে পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তানের ৭ম প্রধানমন্ত্রী ফিরোজ খান নুন জন্মগ্রহন করেন।
১৯৩১ সালের এই দিনে সিদ্দিকা কবীর, বাংলাদেশী পুষ্টিবিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদ জন্মগ্রহন করেন।
১৯৪৩ সালের এই দিনে অস্ট্রেলীয় ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার পিটার কেরি জন্মগ্রহন করেন।

মৃত্যু
১৯০৯ সালের এই দিনে জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী হের্মান অস্ট্‌হফ মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৪১ সালের এই দিনে স্কটিশ নৃতাত্ত্বিক ও শিক্ষাবিদ স্যার জেমস ফ্রেজার।
১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের বিখ্যাত সমাজসেবক এবং দানবীর ছিলেন রণদাপ্রসাদ সাহা।
১৯৯৩ সালের এই দিনে সঙ্গীতজ্ঞ ও ব্যঙ্গ সাহিত্যস্রষ্টা অজিতকৃষ্ণ বসু।

ইতিহাস
১৮০৮ সালের এই দিনে স্পেনের জনগণ নেপোলিয়ন বোনাপার্টের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শুরু করে।
১৮৩২ সালের এই দিনে গ্রিসকে স্বাধীন রাজ্য ঘোষণা করা হয়।
১৯১৫ সালের এই দিনে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানরা আমেরিকায় "লুসিতানিয়া" জাহাজ ডুবিয়ে দেয়।
১৯২৩ সালের এই দিনে অমৃতরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু।
১৯২৯ সালের এই দিনে লাহোরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় বহু হতাহত হয়।
১৯৪১ সালের এই দিনে মিত্রশক্তির কাছে জার্মানি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘের বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিষ্ঠা।
১৯৫৪ সালের এই দিনে দিয়েন বিয়েন ফু-র পতনের ফলে ভিয়েতনাম ফরাসি শাসন থেকে মুক্ত হয়।

দিবস:
বিশ্ব হাঁপানি দিবস
ইঞ্জিনিয়ার্স ডে

২০১৩ সালের এই দিনে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের একটি গণসমাবেশ এবং আন্দোলন সংঘটিত হয় এবং সরকার কর্তৃক পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সমন্বিত বাহিনী দ্বারা অপারেশন সিকিউর শাপলা অভিজান চালিয়ে তাদেরকে বিতাড়িত করা হয়।

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ। প্রতি বছর ৩ মে সারাবিশ্বে দিবসটি পালিত হয়। এবার দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘তথ্য জনগণের পণ্য’।
১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ মোতাবেক ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মে তারিখটিকে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’ অর্থাৎ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্বীকৃতি দেয়া হয়। এরপর থেকেই দিবসটি বিশ্বজুড়ে পালন করা হচ্ছে। দিবসটি পালন করে আসছেন সাংবাদিকরা।

#জন্মের_শত_বর্ষে_পা_দিলেন_সত্যজিৎ_রায়

আজকের দিনে যদি সারা পৃথিবীতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে খ্যাতিমান কয়েক জন চলচ্চিত্র নির্মাতার তালিকা করা হয় নিঃসন্দেহে স্টিফেন স্পিলবার্গ, জেমস ক্যামেরন, মার্টিন স্কোরসেসে, টিম বার্টন, উডি অ্যালেন, জর্জ লুকাস এ নামগুলো তালিকার সবার উপরে অবস্থান করবে। অথচ গত শতাব্দীতেও যদি কাউকে চলচ্চিত্র অঙ্গনে খ্যাতিমান কয়েক জন চলচ্চিত্র নির্মাতার নাম জিজ্ঞেস করা হতো অনেকের মুখে একজন বাঙালি চলচ্চিত্র নির্মাতার নাম উচ্চারিত হতো সন্দেহাতীতভাবে।

তিনি এমনই এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি বাংলা চলচ্চিত্র তো বটেই এমনকি পুরো উপমহাদেশের চলচ্চিত্রকে এক ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিলেন। ২০০৪ সালে বিবিসির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি তালিকায় তিনি ১৩তম স্থান লাভ করেছিলেন। কিংবদন্তি এ মানুষটি হচ্ছেন সত্যজিৎ রায়। ১৯২১ সালের আজকের এ দিনে (২ মে ১৯২১ – ২৩ এপ্রিল ১৯৯২) তিনি কলকাতা শহরে সাহিত্য ও শিল্প সমাজে খ্যাতনামা রায় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। আজ জন্মের ৯৯ বছর পেরিয়ে শত বছরে পা দিলেন। তার বাবা সুকুমার রায় এবং পিতামহ উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী যাদের দুইজনই ছিলেন বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাদের পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি থানার মসূয়া গ্রামে।
এত সমৃদ্ধশালী পরিবারে জন্ম হওয়া সত্ত্বেও সত্যজিৎ রায়ের শৈশব সুখকর হয়নি। মাত্র তিন বছর বয়সে তার পিতৃবিয়োগ ঘটে। মা সুপ্রভা দেবী বহু কষ্টে তাকে বড় করেন। সত্যজিৎ বড় হয়ে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে অর্থনীতি পড়তে যান। যদিও চারুকলার প্রতি সবসময়ই তার দুর্বলতা ছিল। ১৯৪০ সালে মায়ের নির্দেশে শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। নিয়মানুযায়ী বিশ্বভারতীতে তার পাঁচ বছর পড়াশোনা করার কথা থাকলেও তার আগেই ১৯৪৩ সালে তিনি শান্তিনিকেতন ছেড়ে কলকাতায় চলে আসেন এবং সেখানে ব্রিটিশ বিজ্ঞাপন সংস্থা ডিজে কিমারে মাত্র ৮০ টাকা বেতনের বিনিময়ে “জুনিয়র ভিজুয়ালাইজার” হিসেবে যোগ দেন।
চিত্রসজ্জা বা ভিজুয়াল ডিজাইন সত্যজিৎ রায়ের পছন্দের একটি বিষয় ছিল এবং সংস্থাটিতে তিনি বেশ সমাদরেই ছিলেন বলতে হয়। তবে সংস্থাটির ইংরেজ ও ভারতীয় কর্মচারীদের মধ্যে বেশ কিছু বৈষম্যগত কারণে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিল। ১৯৪৭ সালে সত্যজিৎ চিদানন্দ দাসগুপ্ত ও অন্যান্যদের সঙ্গে মিলে কলকাতা ফিল্ম সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। সোসাইটির সদস্য হবার সুবাদে তিনি বেশ কিছু বিদেশি চলচ্চিত্র দেখার সুযোগ পান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি কলকাতায় অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করেন। তিনি তাদের কাছ থেকে শহরে আসা নতুন মার্কিন চলচ্চিত্রগুলোর খবর নিতেন। এ সময় তিনি নরম্যান ক্লেয়ার নামের রয়েল এয়ার ফোর্সের এক কর্মচারীর সংস্পর্শে আসেন, যিনি তার মতোই চলচ্চিত্র, দাবা ও পাশ্চাত্যের ধ্রুপদী সঙ্গীত পছন্দ করতেন।
১৯৪৯ সালে সত্যজিৎ তার দূরসম্পর্কের বোন ও বহুদিনের বান্ধবী বিজয়া দাসকে বিয়ে করেন। সত্যজিৎ দম্পতির ঘরে ছেলে সন্দীপ রায়ের জন্ম হয়, যিনি নিজেও বর্তমানে একজন প্রথিতযশা চলচ্চিত্র পরিচালক। ১৯৫০ সালে ডিজে কিমার সত্যজিৎকে লন্ডনে তাদের প্রধান কার্যালয়ে কাজ করতে পাঠান। লন্ডনে তিন মাস থাকাকালীন অবস্থায় সত্যজিৎ প্রায় ৯৯টি চলচ্চিত্র দেখেন। এদের মধ্যে ইতালীয় নব্য বাস্তবতাবাদী ছবি লাদ্রি দি বিচিক্লেত্তে (ইতালিয়ান: Ladri di biciclette, "সাইকেল চোর") তার ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। পরে সত্যজিৎ বলেছেন যে ওই ছবিটি দেখে সিনেমা হল থেকে বের হওয়ার সময়েই তিনি ঠিক করেন যে তিনি একজন চলচ্চিত্রকার হবেন।
১৯৫২ সালে তিনি ‘পথের পাঁচালী’ নামক বিখ্যাত চলচ্চিত্রের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। পর্যাপ্ত অর্থের সংস্থান না থাকায় সে সময় ধীরগতিতে এ চলচ্চিত্রটির নির্মাণ কাজ অগ্রসর হচ্ছিল। ১৯৫৫ সালে ছবিটির নির্মাণ সম্পন্ন হয় ও সে বছরই ছবিটিকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তি পাওয়ার পর পরই ছবিটি দর্শক সমালোচক সবার নিকট ব্যাপক প্রশংসা লাভ করে ও বহু পুরস্কার জিতে নেয়। ছবিটি নির্মাণের সময় অর্থের বিনিময়ে চিত্রনাট্য বদলের জন্য কোন অনুরোধই সত্যজিৎ রাখেননি। এমনকি ছবিটির একটি সুখী সমাপ্তির (যেখানে ছবির কাহিনীর শেষে অপুর সংসার একটি “উন্নয়ন প্রকল্পে” যোগ দেয়) জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধও তিনি উপেক্ষা করেন।
পুরো ভারত তো বটেই এমনকি ভারতের বাইরেও ছবিটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। ‘পথের পাঁচালী’ মোট ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে, যার মধ্যে অন্যতম ছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া ‘বেস্ট হিউম্যান ডকুমেন্ট’ পুরস্কারটি। তার পরের দুটি ছবি ‘অপরাজিত’, ‘অপুর সংসার’ আর ‘পথের পাঁচালী’—এ তিনটি চলচ্চিত্র একত্রে অপু ট্রিলজি হিসেবেই পরিচিত। ‘অপরাজিত’ ছবির সাফল্য সত্যজিৎ রায়কে আন্তর্জাতিক মহলে আরও পরিচিত করে তোলে। ভেনিসে গোল্ডেন লায়ন পুরস্কারও জেতে ছবিটি। অপু ট্রিলজি শেষ করার আগে সত্যজিৎ রায় আরও দুটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। এর প্রথমটি ছিল ‘পরশপাথর’ নামের হাস্যরসাত্মক একটি ছবি। আর পরেরটি ছিল জমিদারি প্রথার অবক্ষয় নিয়ে নির্মিত ‘জলসাঘর’। এর বাইরে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিয়ে সত্যজিৎ রায়ের ছবিগুলো হচ্ছে ‘দেবী’ (১৯৬০), ‘তিন কন্যা’ (১৯৬১) ও ‘অভিযান’ (১৯৬২)।
১৯৬২ সালে সত্যজিৎ ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ নামে প্রথম মৌলিক চিত্রনাট্যনির্ভর রঙিন চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। দার্জিলিংয়ের এক পাহাড়ি এলাকায় একটি উচ্চবিত্ত পরিবারে কাটানো এক বিকেলের কাহিনী নিয়ে জটিল ও সঙ্গীতনির্ভর এই ছবিটি বানিয়েছিলেন তিনি। ১৯৬৪ সালে সত্যজিৎ নির্মাণ করেন ‘চারুলতা’। যেটি ছিল তার কর্মজীবনের সফল ছবি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘নষ্টনীড়’ অবলম্বনে নির্মিত ছবিটিতে উনিশ শতকের এক নিঃসঙ্গ বাঙালি বধূ চারু ও ঠাকুরপো অমলের প্রতি তার অনুভূতির কাহিনী বাস্তব জীবনের নিরিখে নির্মাণ করা হয়েছে। ‘নায়ক’ (১৯৬৬), ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ (১৯৭০), ‘সীমাবদ্ধ’ (১৯৭১) ও ‘জন অরণ্য’ (১৯৭৫) ছবিও তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে অগ্রগণ্য।

বাংলা চলচ্চিত্রের বাইরে সত্যজিৎ রায় ১৯৭৭ সালে ‘শতরঞ্জ কি খিলাড়ি’ নামের হিন্দি ও উর্দু সংলাপ নির্ভর একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। এটিই ছিল বাংলা ভাষার বাইরে অন্য ভাষায় নির্মিত সত্যজিৎ রায়ের প্রথম চলচ্চিত্র। শুধু তা-ই নয়, ‘শতরঞ্জ কি খিলাড়ি’ হচ্ছে সত্যজিৎ রায় নির্মিত সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও তারকাসমৃদ্ধ ছবি। ছবিটিতে অভিনয় করেছিলেন সঞ্জীব কুমার, সাইদ জাফরি, আমজাদ খান, শাবানা আজমি, ভিক্টর ব্যানার্জি ও রিচার্ড অ্যাটেনবরোর মতো তারকা অভিনয়শিল্পীরা। পরবর্তীকালে সত্যজিৎ প্রেমচাঁদের গল্পের ওপর ভিত্তি করে হিন্দি ভাষায় এক ঘণ্টার একটি ছবি বানিয়েছিলেন ‘সদ্গতি’ নামের।

আজ মহান মে দিবস-
দিনটি শ্রমজীবী মানুষের-
অধিকার আদায়ের রক্তঝরা দিন-।।

আজ ২৭ শে এপ্রিল, বাংলার জাতীয় মহান নেতা, উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, বাংলার কৃষককূল ও সর্বসাধারণ জনগনের নয়নের মণি "হকসাহেব" তথা বাংলার বাঘ খ্যাত মরহুম #শের_এ_বাংলা_এ_কে_ফজলুল_হক এর ৫৯ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা ও সহস্র কোটি সালাম , ওপারে ভালো থাকুন হে মহান নেতা, মহান আল্লাহ তা'আলা তার রুহের মাগফিরাত করুক, আমিন।।।

আজ ২৫ এপ্রিল ,
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ইতিহাসের পাতায় ২৫ এপ্রিল ঘটনাবলি :
১৭৯২ সালের এই দিনে প্যারিতে প্রথম গিলেটিন স্থাপিত হয়।
১৮৫৯ সালের এই দিনে সুয়েজ খাল খননের কাজ শুরু হয়।
১৮৮২ সালের এই দিনে খুলনা জেলা যাত্রা শুরু করে।
১৯০১ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাজ্য হিসাবে নিউইয়র্কে অটোমোবাইলের প্লেট চালু হয়।
১৯১৫ সালে এই দিনে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে গেলিপলির যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৬৬ সালের এই দিনে ভয়ানক এক ভূমিকম্পে তাসখন্দ শহর ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
১৯৭১ সালের এই দিনে ভিয়েতনামে সামরিক অভিযানের বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই লক্ষ জনতা ওয়াশিংটনে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
১৯৭৫ সালের এই দিনে ৫০ বছর পর পর্তুগালে প্রথম অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৮২ সালের এই দিনে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি অনুসারে ইসরায়েল সিসনাই উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন করে।
১৯৮৯ সালের এই দিনে ঘুষ কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে জাপানের প্রধানমন্ত্রী নোবোরু তাকাশিতা পদত্যাগ করেন।

আজ যাদের জন্মতারিখ :
১৫৯৯- সালে অলিভার ক্রমওয়েল, তিনি ছিলেন ইংরেজ জেনারেল ও রাজনীতিবিদ।
১৮৪৯- ফেলিক্স ক্লাইন, তিনি ছিলেন জার্মান গণিতবিদ ও শিক্ষাবিদ।
১৮৫০- লুইসে আদলফা লি বেয়াউ, তিনি ছিলেন জার্মান সুরকার।
১৮৭৪- গুলিয়েলমো মার্কোনি, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইতালীয় উদ্ভাবক ও প্রকৌশলী যিনি বেতার যন্ত্রের সম্প্রচার পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন।
১৮৯৮- ভিয়েসনতি আলেসান্দ্র, তিনি ছিলেন নোবেলজয়ী স্পেনীয় কবি।
১৯০০- ভোল্‌ফগাং পাউলি, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান পদার্থবিদ।
১৯০৩- আন্দ্রেই কোলমোগোরোভ, তিনি ছিলেন রাশিয়ান গণিতবিদ ও শিক্ষাবিদ।
১৯১৮- গেরারড ডে. ভাউচউলেউরস, তিনি ছিলেন ফরাসি জ্যোতির্বিজ্ঞানী।
১৯২১- ক্যারেল অ্যাপেল, তিনি ছিলেন ডাচ চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর।
১৯২৭- অ্যালবার্ট উদেরজো, তিনি ফরাসি লেখক ও চিত্রকর।
১৯৪০- আল পাচিনো, তিনি মার্কিন মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা।
১৯৪৫- বিজোরন উল্ভায়েউস, তিনি সুইডিশ গায়ক, গীতিকার ও প্রযোজক।
১৯৪৬- ভ্লাদিমির জিরিনভস্কির, তিনি রাশিয়ান কর্নেল, আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ।
১৯৪৭- হেনড্রিক ইয়ুহানেস ক্রুইফ, তিনি ডাচ সাবেক ফুটবলার ও ম্যানেজার।
১৯৪৯- ডমিনিকুয়ে স্ট্রস-কাহন, তিনি ফরাসি অর্থনীতিবিদ, আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ।
১৯৫৫- পারভিজ পারাস্তুই, তিনি ইরানী অভিনেতা ও গায়ক।
১৯৬৩- ডেভিড উইলিয়াম মোয়েস, তিনি স্কটিশ ফুটবলার ও ম্যানেজার।
১৯৬৪- করেছিলেন ফিওনা ব্রুস, তিনি ব্রিটিশ সাংবাদিক।
১৯৬৯- রিনে যেলওয়েগের, আমেরিকান অভিনেত্রী ও প্রযোজক।
১৯৭০- জেসন ফুসলান, তিনি আমেরিকান অভিনেতা।
১৯৭৬- রেইনার সচুটলের, তিনি জার্মান সাবেক টেনিস খেলোয়াড় ও কোচ।
১৯৮২- মার্কো রাসো, তিনি ইতালিয়ান ফুটবলার।
১৯৮২- মন্টি পানেসর, তিনি ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯৯৩- রাফায়েল ভারানে, তিনি ফরাসি ফুটবলার।

আজ যাদের মৃত্যু হয় :
১০৭৭- প্রথম গেযা, তিনি ছিলেন হাঙ্গেরি রাজা।
১৪৭২- লেওন বাতিস্তা অ্যালবার্তি, তিনি ছিলেন ইতালীয় লেখক, কবি ও দার্শনিক।
১৭৪৪- এন্ডার্স সেলসিয়াস, তিনি ছিলেন সেন্টিগ্রেড থার্মোমিটারের সুইডিশ উদ্ভাবক।
১৮০০- উইলিয়াম কাউপার, তিনি ছিলেন একজন ইংরেজ কবি।
১৮৪০- সিম্যান ডেনিস পইসন, তিনি ছিলেন ফরাসি গণিতবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী।
১৮৭৮- আন্না সেওয়েল, তিনি ছিলেন ইংরেজ লেখক।
১৯১১- এমিলিও সালগারি, তিনি ছিলেন ইতালিয়ান লেখক।
১৯৪০- প্রখ্যাত সাংবাদিক সাহিত্যিক মৌলভী মুজিবুর রহমান মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৬৮- বাদে গুলাম আলি খান, তিনি ছিলেন ভারতীয় গায়ক।
১৯৭২- জর্জ স্যান্ডার্স, তিনি ছিলেন ইংরেজ অভিনেতা।
১৯৮৮- ভালেরি সলানাস, তিনি ছিলেন আমেরিকান লেখক।
১৯৯২- য়ুটাকা অযাকি, তিনি ছিলেন জাপানি গায়ক।
১৯৯৫- আদা রজার্স, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেত্রী, গায়ক ও ড্যান্সার।
২০০০- লুচিন্‌ লে ক্যাম, তিনি ছিলেন ফরাসি গণিতবিদ।
২০০৭- অ্যালেন বল জুনিয়র, তিনি ছিলেন ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।
২০১২- লুই লি ব্রকিয়, তিনি ছিলেন আইরিশ চিত্রকর।
২০১৪- টিটো ভিলানোভা, তিনি ছিলেন স্প্যানিশ ফুটবলার ও ম্যানেজার।

আজ ২১ শে এপ্রিল, আল্লামা ইকবাল সাহেব ইহলোক ত্যাগ করেন।
আসুন জেনে নেই ভারতীয় উপমহাদেশের এই প্রবাদ প্রতিভা সম্পর্কে।।

আল্লামা ইকবাল ও তার অবদান

আল্লামা মুহম্মদ ইকবালের কোন পরিচয়টি বড়, জানি না। ইকবাল অবশ্যই বড় কবি ছিলেন। তিনি দুই ভাষার কবি ছিলেন- উর্দু ও ফারসি। তিনি একই সাথে দার্শনিক ছিলেন। মুসলিম দর্শনে তিনি নতুন প্রাণসঞ্চার করেছিলেন। তিনি নতুন দর্শন দান করে গেছেন। মুসলিম উম্মাহকে উজ্জীবিত করার জন্য তিনি ‘আসরারে খুদি’ বা খুদির দর্শন উপহার দিয়েছেন। আর সেটিকে আরো ব্যাখ্যা করেন রমুজে বেখুদিতে যে, খুদির প্রকাশটা কী আর খুদির বিলীন হওয়াই বা কী?

সত্যিকার অর্থেই ইকবাল একজন বড় দার্শনিক ছিলেন। তিনি খ্যাতিমান দার্শনিক শুধু নয়, তিনি ইসলামেরও দার্শনিক ছিলেন। শিক্ষাজীবনে তিনি দর্শনে এমএ এবং পিএইচডি করেছেন। শিক্ষার দিক থেকেও তিনি এ উপমহাদেশের একজন শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি আরবিতে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। আবার বার অ্যাট ল-ও করেছেন। সর্বোপরি, তিনি একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন। আর কবি হওয়া এমন এক অনন্য প্রতিভা, যার জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি লাগে না। ডিগ্রি ছাড়াই বড় কবি হওয়া যায়। এ সবকিছু মিলেই ইকবাল।

ইকবালের রাজনৈতিক দিকটি মানুষ তেমন খেয়াল করে না। কিন্তু উপমহাদেশের সমকালীন রাজনীতিতে তার অবদান খুব বেশি। তাকে খুব বড় একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আমরা দেখি। তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়ে লাহোর থেকে পাঞ্জাব সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অনেক ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও তিনি গণতন্ত্রের, মূলত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষপাতী ছিলেন। পার্লামেন্টের ভেতরেও তিনি ছিলেন সক্রিয়। তবে তিনি সেকুলার গণতন্ত্রকে পছন্দ করতেন না। গণতন্ত্র যদি ইসলামভিত্তিক হয়, সেটিকেই তিনি প্রকৃত গণতন্ত্র বলে মনে করতেন; যেখানে আইন হবে আল্লাহ তায়ালার আর শাসন হবে মানুষের।

রাজনীতির ক্ষেত্রে ইকবালের দু’টি অবদানকে সবচেয়ে বড় মনে করা যায়। একটি হলো, তদানীন্তন মুসলিম লীগে তার সক্রিয় ও অগ্রণী ভূমিকা পালন। তখন অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের মূল প্রতিষ্ঠান। সে প্রতিষ্ঠানের তিনি এক সময়ে প্রেসিডেন্টও ছিলেন। তিনি তার সাধ্যমতো মুসলিম লীগকে এগিয়ে নেয়ার জন্য কাজ করেছেন। সে মুসলিম লীগ ভারতীয় রাজনীতিতে বিরাট প্রভাব বিস্তার করেছিল। তার দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় অবদান হলো, তিনি ১৯৩০ সালে এ দলের এলাহাবাদ কনফারেন্সে তৎকালীন ভারতের পশ্চিম ও পূর্ব দিকে দু’টি মুসলিম রাষ্ট্রের কথা বলেছিলেন। এ দু’টি এলাকাতেই মুসলিমরা মেজরিটি। তিনি দেখতে পেয়েছিলেন, সমগ্র ভারতে হিন্দুরা মেজরিটি এবং সেখানে মুসলিমরা সত্যিকার স্বাধীনতা পাবে না। মুসলমানরা সংখ্যায় অল্প নয়, বরং তারা বড় একটি জাতি। তারা ভারতের পূর্ব দিকের দু’টি প্রদেশে মেজরিটি অর্থাৎ বেঙ্গল ও আসামে, যা বর্তমানে ৯টি প্রদেশে বিভক্ত। এ অঞ্চল আর পশ্চিম দিকের মুসলিম মেজরিটি প্রদেশগুলো নিয়ে দু’টি আলাদা রাষ্ট্রের কথা ইকবাল বলেছিলেন।

তিনি মুসলিম জাতীয়তাবাদের কথা বলেছেন। তিনি জাতীয়তাবাদের সাথে ইসলামের সমন্বয় ঘটালেন। জাতীয়তাবাদের ধারণা হলো- প্রতিটি জাতির স্বায়ত্তশাসনের অধিকার আছে। ভাষাভিত্তিক হোক আর অঞ্চলভিত্তিক হোক, প্রতিটি জাতির স্বায়ত্তশাসন চাওয়ার অধিকার আছে। ইকবাল এটিকে ইসলামের সাথে সমন্বয় ঘটান। তিনি বললেন, ইসলামের ভিত্তিতেও জাতীয়তা হতে পারে। আর এ জাতির সাথে পাশ্চাত্যের তত্ত্বের মিলন ঘটালেন এ কথা বলে- আদর্শিক মুসলিম জাতি, তারা যে ভূখণ্ডে সংখ্যাগরিষ্ঠ, সে এলাকায় স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। ওয়েস্টার্ন থিওরি ছিল, জাতি সাধারণত অঞ্চলভিত্তিক, ভাষাভিত্তিক বা বর্ণভিত্তিক হবে এবং তার আলোকে সেখানে যারা মেজরিটি, তাদের রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে। তবে তাদের মধ্যে আদর্শিক জাতির ব্যাপারে কোনো ধারণা ছিল না। কিন্তু ইকবাল সেখানে ইসলামভিত্তিক জাতির কথা বললেন। মুসলমানদের বললেন ‘আদর্শিক জাতি’। যেখানে মুসলমানরা মেজরিটি, সেখানে স্বাধীন হওয়ার কথা তিনি বললেন। এর মাধ্যমে তিনি ইসলামের সাথে আধুনিক জাতীয়তাবাদের সমন্বয় ঘটিয়েছেন। এ সমন্বয়ের মাধ্যমেই তিনি ‘পাকিস্তান’ দাবি করলেন। একপর্যায়ে উপমহাদেশের পূর্ব ও পশ্চিম অংশ মিলে একটি জোরদার আন্দোলন হলো। সে আন্দোলনের ফলস্বরূপ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হলো। পরে সেখান থেকে বাংলাদেশ হলো।

ভারতের এ রাজনৈতিক বিবর্তনে ইকবালের ভূমিকা অনেক বড়। ইসলামের ভাবধারা ও চেতনার সাথে তিনি আধুনিক জাতীয়তার সমন্বয় ঘটিয়ে তাকে ইসলামীকরণ করেছেন, অথবা আমরা বলতে পারি তাকে ইসলামাইজ করে ফেললেন। এটি তার একটি বিরাট অবদান। কাজটি তার আগে কেউ করেননি। এ দিক থেকে ইকবাল অনেক বড় রাজনীতিবিদ ছিলেন। তার কথা আমরা ইতিহাস থেকে বাদ দিতে পারি না।

প্রথমত, যে তাত্ত্বিক ও জ্ঞানগত শূন্যতার কারণে বর্তমান যুগের মানুষের চোখে ইসলামি জীবনব্যবস্থা অসম্পূর্ণ ও অকার্যোপযোগী বলে মনে হয়, সেই শূন্যতা পূরণ করা। দ্বিতীয়ত, এমন কিছু লোক তৈরি করা, যারা মুসলমানদের তাত্ত্বিক ও বাস্তব ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে পারেন। একটা নির্ভেজাল ও সর্বাত্মক ইসলামি আন্দোলনের ধারণা তখন আমাদের সামনে ছিল না।

সেই সময় আসলে এমন একজন মানুষের প্রয়োজন ছিল, যিনি পাশ্চাত্য শিক্ষায় সাধারণ লোকদের চেয়েও বেশি শিক্ষিত এবং পাশ্চাত্য বিদ্যায় তাদের চেয়েও দক্ষ ও পারদর্শী হবেন, তারপরও এত জোরদার ভাষায় ইসলামি জীবনপদ্ধতিকে সমর্থন করবেন যে, পাশ্চাত্যপূজারীরা তার সামনে কথা বলারই সাহস পাবে না। সেই দুর্লভ ব্যক্তিত্বই ছিল ইকবালের। সেকালে পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রবল প্রতাপ ছিল এবং সাধারণ ধারণা প্রচলিত ছিল যে, পাশ্চাত্য সভ্যতার সাথে আপস (Compromise) এবং পাশ্চাত্য মতবাদগুলোর সাথে ইসলামি দর্শনের সমন্বয় সাধন অপরিহার্য। আল্লামা ইকবাল এ ধারণা খণ্ডন করেছিলেন। এটিই ইকবালের আসল অবদান।

লেখকঃ শাহ আব্দুল হান্নান
(কপিকৃত)


আজ ২১ এপ্রিল,
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।


#ঘটনাবলি:
৭৫৩ - রোম নগরীর প্রতিষ্ঠা।

৮২৯ - সেক্সশান এগবার্ট ব্রিটেনের প্রথম রাজা হিসেবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।

১৫২৬ - পানি পথের প্রথম যুদ্ধ।

১৯৫২ - লন্ডন ও রোমের মধ্যে প্লেন চালনার মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম জেট প্লেন চলাচল শুরু।

১৯৬২ - আলজেরিয়ায় ফরাসি সেনা বিদ্রোহ শুরু।

১৯৭৫ - ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজ চালু।

#জন্ম:
১৮২৮ - হিপোলালিটি টেইনি, প্রখ্যাত ফরাসী শিল্পী, সাহিত্যিক এবং ঐতিহাসিক।

১৮১৬ - ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি শার্লট ব্রন্টে।
১৯৪৫ - শ্রীনিবাসরাঘবন ভেঙ্কটরাঘবন, ভারতীয় ক্রিকেটার এবং আম্পায়ার।

১৯৬৬ - সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার মাইকেল ফ্রান্টি।

#মৃত্যু:
১৯১০ - স্যামুয়েল ল্যাঙ্গহোর্ণ ক্লিমেন্স ('মার্ক টোয়েইন) একজন মার্কিন রম্য লেখক, সাহিত্যিক ও প্রভাষক।

১৯৩৮ - আল্লামা ইকবাল, পাকিস্তানের প্রখ্যাত কবি, দার্শনিক এবং রাজনীতিবিদ।

১৯৬৫ - এডওয়ার্ড ভিক্টর অ্যাপলটন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৮৪ - মোহাম্মদ মোদাব্বের, সাংবাদিক, শিশুসাহিত্যিক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক।

২০১৩ - শকুন্তলা দেবী, একজন ভারতীয় লেখক এবং মানব ক্যালকুলেটর।

২০১৫ - পূর্ণদাস বাউল, ভারতীয় বাঙালি বাউল গান শিল্পী।

২০১৫ - জানকীবল্লভ পট্টনায়ক, একজন রাজনীতিবিদ এবং ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

আজ ২০ এপ্রিল,
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।


#ঘটনাবলি:
১৫২৬ - পানিপথের যুদ্ধে মোগলরা আফগানদের পরাভূত করে।

১৭৭০ - ব্লাক নিউ সাউথ ওয়েলস আবিষ্কার করেন।

১৭৭০ - আজকের এই দিনে ক্যাপ্টেন কুক অস্ট্রেলিয়া আবিস্কার করেন।

১৮৮৯ - ফরাসী বিপ্লবের শতবর্ষ পূর্তিতে স্মারকস্তম্ভ ৯৮৫ ফুট উঁচু আইফেল টাওয়ার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।

১৯০২ - কিউবা থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়।

১৯১৯ - মন্টিনিগ্রোর রাজা নিকোলাস সিংহাসনচ্যুত।

১৯৪০ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ ব্রিগেডের ফ্রান্সে পদার্পণ।

১৯৪৫ - ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বার্লিনে প্রবেশ।

১৯৫৯ - নদার্ন রোডেশিয়ায় নির্বাচনে ইউনাইটেড ফেডারেল পার্টির জয়।
১৯৬৪ - লাওসে সামরিক অভ্যুত্থান ব্যর্থ।

১৯৭২ - যুক্তরাষ্ট্রের এ্যাপোলো-১৬’র নভোচারীরা নিরাপদে চাঁদে অবতরণে সফল।

১৯৭৬ - জেরুজালেমে ইসরাইল বিরোধী দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে।

১৯৮৬ - শ্রীলংকায় একটি বিশাল সেচ মজুদাগারে ফাটল ধরে বিরাট এলাকা জুড়ে প্লাবন । দুশতাধিক প্রাণহানি। ২০ হাজার পরিবার গৃহহীন।

১৯৯৮ - ইকুয়েডরের যাত্রীবাহী বিমান কলম্বিয়ার পার্বত্যাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়ে ৫৩ আরোহীর সবাই নিহত।

২০১২ - পাকিস্তানের ইসলামাবাদের কাছে বেনজির ভুট্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর সন্নিকটে আবাসিক এলাকায় বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১২৭ জন নিহত হয়।

২০১৩ - চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৫০ জনেরও বেশি নিহত হয়।
#জন্ম:
১৪৯২ - পিয়েট্রো আরেটিনো, তিনি ছিলেন ইতালীয় লেখক, নাট্যকার ও কবি।

১৮০৮ - তৃতীয় নেপোলিয়ন, তিনি ছিলেন ফরাসি রাজনীতিবিদ ও ১ম প্রেসিডেন্ট।

১৮৮৯ - আডলফ হিটলার, তিনি ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ ও চ্যান্সেলর।

১৮৯৩ - হ্যারল্ড লয়েড, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা, কৌতুকাভিনেতা ও প্রযোজক।

১৮৯৩ - জোয়ান মিরো, তিনি ছিলেন স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর।

১৯১৮ - শওকত আলী, তিনি ছিলেন রাজনীতিবিদ ও বাংলা ভাষা আন্দোলনের একজন অন্যতম নেতা।

১৯১৮ - কাই মানে বোরিয়ে জিগবান, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৯২৭ - কার্ল আলেকজান্ডার মুলার, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইস পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৯৩৭ - জর্জ টাকেই, তিনি আমেরিকান অভিনেতা।
১৯৩৯ - গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড, তিনি নরওয়েজিয়ান চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ ও ২২ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৪৯ - মাসিমো দালেমা, তিনি ইতালীয় সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ৭৬ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৪৯ - জেসিকা ফিলিস ল্যাং, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৬৪ - অ্যান্ডি সেরকিস, তিনি ইংরেজ অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৭২ - কারমেন ইলেকট্রা, তিনি আমেরিকান মডেল ও অভিনেত্রী।

১৯৭২ - যেলজক জক্সিমভিক, তিনি সার্বীয় গায়ক, গীতিকার ও প্রযোজক।

১৯৮৩ - মিরান্ডা মে কের, তিনি অস্ট্রেলিয়ান মডেল।

#মৃত্যু:
১৯১২ - আব্রাহাম ব্রাম স্টোকার, তিনি ছিলেন আইরিশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ লেখক ও ড্রাকুলারে স্রষ্টা।
১৯১৮ - কার্ল ফার্দিনান্দ ব্রাউন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৯৩২ - গিউসেপে পেয়ানো, তিনি ছিলেন ইতালীয় গণিতবিদ ও দার্শনিক।

১৯৫২ - সুধীরলাল চক্রবর্তী, তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার সুরকার ও সঙ্গীতজ্ঞ ও সুগায়ক।

১৯৬০ - পান্নালাল ঘোষ, ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালী বংশীবাদক।

১৯৯১ - ডোনাল্ড সিজেল, তিনি ছিলেন আমেরিকান পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৯২ - বেনি হিল, তিনি ছিলেন ইংরেজ কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৯৩ - কান্টিনফ্লাস, তিনি ছিলেন মেক্সিক্যান অভিনেতা, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

২০০৩ - বার্ণার্ড কাটজ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান বংশোদ্ভূত ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।
২০১১ - জেরার্ড স্মিথ, তিনি ছিলেন আমেরিকান গিটারিস্ট।

১৯ এপ্রিল,
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

১৯৪৮ - মায়ানমার, জাতিসংঘে যোগদান করে।

১৯৫৪ - পাকিস্তানের গণপরিষদ উর্দু এবং বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।

১৯৭৫ - ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ আর্যভট্ট উৎক্ষেপন করে।

#জন্ম
১৮৭৩ - সিডনি বার্নস, ইংলিশ ক্রিকেটার।

১৯১২ - গ্লেন থিওডোর সিবোর্গ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ।

১৯৩১ - ফ্রেড ব্রুক্‌স, মার্কিন সফটওয়্যার প্রকৌশলী এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

১৯৩৩ - ডিকি বার্ড, ক্রিকেট বিশ্বের শ্রেষ্ঠ আম্পায়ার ছিলেন।

১৯৩৩ - জায়ন ম্যান্সফিল্ড, আমেরিকান মডেল ও অভিনেত্রী।

১৯৬৬ - পল রেইফেল, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ও আম্পায়ার।

১৯৬৮ - আরশাদ ওয়ার্সী, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৭২ - রিভালদো, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।

১৯৭৫ - জেসন গিলেস্পি, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৭৮ - গাব্রিয়েল হাইনৎসে, আর্জেন্টিনার ফুটবলার।

১৯৮৭ - জো হার্ট, ইংলিশ ফুটবলার।

১৯৮৭ - মারিয়া শারাপোভা, রুশ টেনিস খেলোয়াড়
#মৃত্যু
১৮২৪ - লর্ড বায়রন, এ্যাংলো-স্কটিশ কবি।

১৮৬৭ - ভারতীয় পণ্ডিত ও কলকাতা হিন্দু সমাজের বিশিষ্ট নেতা স্যার রাজা রাধাকান্ত দেব বাহাদুর (জ.১০/০৩/১৭৮৪)

১৮৮১ - বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, রিটিশ কনজারভেটিভ পার্টির একজন রাষ্ট্রনায়ক, যিনি দুইবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৮৮২ - চার্ল্‌স্‌ ডারউইন, ইংরেজ জীববিজ্ঞানী। তিনিই প্রথম বিবর্তনবাদ এর ধারণা দেন।

১৯০৬ - পিয়ের ক্যুরি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একজন ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯১৪ - চার্লস স্যান্ডার্স পেয়ার্স, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।

১৯৫৮ - অনুরূপা দেবী, বাঙালি ঔপন্যাসিক।

১৯৫৮ - বিলি মেরেডিথ, ব্রিটিশ ফুটবলার।

১৯৭৪ - আইয়ুব খান, পাকিস্তানী সেনাপতি ও রাষ্ট্রপতি।

১৯৮৯ - ড্যাফনি দ্যু মারিয়েই, একজন ইংরেজ লেখিকা এবং নাট্যকার।

১৯৯৮ - অক্তাবিও পাজ, একজন মেক্সিকান কবি, লেখক ও কূটনীতিবিদ।

২০০৯ - জে জি ব্যালার্ড, একজন ব্রিটিশ লেখক।

২০১৩ - মাইক ডেনিস, স্কটল্যান্ডের ল্যানার্কশায়্যার এলাকার বেলশিলে জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন

#দিবস
মহাবীর জয়ন্তী
বাই সাইকেল দিবস

১৮ এপ্রিল,
একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ইতিহাসের এই দিনের ঘটনাবলি:
১৯৩০ – ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র সংগ্রামে মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীরা চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার দখল করেন।
১৯৪৬ - আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত, নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে উদ্বোধনী বৈঠকে বসে।
১৯৪৬ - লীগ অব নেশনস গঠিত হয়।
১৯৫৪ - জামাল আব্দেল নাসের, মিশরের ক্ষমতা দখল করে।
১৯৭১ - কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন।
১৯৮০ - জিম্বাবুইয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।
ইতিহাসের এই দিনে জন্ম:
১৮০৯ - হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও, একজন ইউরেশীয় কবি, যুক্তিবাদী চিন্তাবিদ ও শিক্ষক।
১৮৪৭ - হের্মান অস্ট্‌হফ, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী।
১৯৫৮ - ম্যালকম মার্শাল, বার্বাডোসে জন্মগ্রহণকারী ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার।

ইতিহাসের এই দিনে মৃত্যু:
১৯৫৫ - আলবার্ট আইনস্টাইন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থ বিজ্ঞানী।
১৯৫৯ - বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষ।
১৯৬৩ - সাহিত্যিক হেমেন্দ্রকুমার রায়।
২০০৩ - এডগার কড, ইংরেজ কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
২০১২ - এম এন আখতার - বাংলাদেশের প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী।

১৭ জন ভাইবোনের মধ্যে যে ছেলেটি সর্বকনিষ্ঠ তাকে তো আদর আর সোহাগের আতিশয্যে নিমজ্জিত থাকার কথা! কিন্তু না তেমনটি হয়নি , মাত্র ১৬ বছর বয়সে সেই ছেলেটি মনের দুঃখে বাড়ি ছেড়ে জাহাজে করে পালিয়ে গেল বোষ্টন থেকে নিউইয়র্ক। বাবা অবশ্য আগে থেকেই আঁচ করেছিলেন। তাই জাহাজের কর্তৃপক্ষকে বলে রেখেছিলেন_ "বেঞ্জামিন" নামের কোন কিশোর যেন জাহাজে চেপে পালাতে না পারে। ছেলেটি ও চালাক কম না! নাম ভাঁড়িয়ে নিজের দামি দামি বই গুলো বিক্রি করে, মিথ্যে গল্প ফেঁদে, উঠে বসল জাহাজে। গল্পটা বেশ চমৎকার। বাবা-মা আর গুরুজনেরা জোর করে তাকে একটা অসৎ চরিত্রের মেয়ের সাথে বিয়ের ব্যবস্থা করেছে, যা তার মতের বিরুদ্ধে। সাক্ষী হিসেবে হাজির করল অন্তরঙ্গ বন্ধু কলিন্সকে। কলিন্স‌ও ঘুণাক্ষরেও বেঞ্জামিনের নাম ও ধাম উল্লেখ‌ করল না। কর্তৃপক্ষ বাধ্য হল জাহাজে যাবার ছাড়পত্র দিতে।
তিন দিন ধরে চলল জাহাজ।
পথে প্রচন্ড ঝড় তুফানের মুখে পড়েও ভয় পেল না, কারণ অবিচারের যন্ত্রণাটা তখন‌ও যে কুঁড়েকুঁড়ে খাচ্ছে। কেবলই মনে পড়ছে দাদা জেমস-এর হাতের চড়-থাপ্পর আর কবিতা লেখার জন্য উপহাসে ভরা বাবার উপদেশের কচকচানি।

বেঞ্জামিনের বয়স তখন দশ বছর। বিরাট সংসারের ব্যয় ভার বইতে না পেরে বাবা তার নিজস্ব ব্যবসায় ভিড়িয়ে দিলেন বাধ্য হয়ে। সারা দিন আগুনের ধারে মোম গলানো আর সাবান তৈরির উপকরণ সিদ্ধ করতে কার ভাল্লাগে! অগত্যা বাবাকে সঙ্গে নিয়ে দাদার ছাপাখানায় ভর্তি হলো। বেতনের বালাই নেই।তবু কাজ শেখা তো যাবে। দাদা ১২ বছরের জন্য লিখিত চুক্তি পত্র করে তাকে কাজে বহাল করে নিল।

বেঞ্জামিন সারাদিন টাইপ সাজিয়ে কম্পোজ করে, মেশিনের কালি লাগায় কাগজ ভাঁজ করে, আর রাত্রিবেলায় ছাপাখানার কর্মীরা যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন নতুন নতুন ছাপানো বইগুলো পড়তে থাকে অনেক রাত পর্যন্ত। কোনো কোনো দিন কবিতা লেখে। বাবা শুনে গজগজ করেন। কবিতা লিখলে তো মানুষ আবেগপ্রবণ হয়ে যায়। আবেগ দিয়ে কি জীবন গড়া যায়!

একবার জাহাজডুবির বাস্তব ঘটনা নিয়ে শোকগাঁথা লিখে সবাইকে চমকে দিল। সেই কাহিনী পড়ে সবাই কেঁদেছিলেন। বাবার চোখেও জল এসে গিয়েছিলো। আর দাদা? তিনি তো সেই কাহিনী বই আকারে ছাপিয়ে, বিক্রি করে, পুরো মুনাফাটাই পকেট এ পুড়ে ছিল। অবশ্য বেঞ্জামিনের মুনাফাও কিন্তু কম হয়নি। অনেকেই তখন দেখা হলে তাকে বকশিশ দিত। আর সেই টাকা দিয়ে সে শুধু বই কিনতো। ইতিহাস, গণিত, দর্শন, সবচেয়ে ভালো লাগতো বিজ্ঞানের বইগুলি।

ছাপাখানায় তখন নিজস্ব সংবাদপত্র "The New England Courant" ছাপা হতো। (এই পত্রিকাটি আমেরিকায় দ্বিতীয় সংবাদপত্র হিসেবে ইতিহাসখ্যাত)।
সেবার এই পত্রিকায় সরকারবিরোধী লেখার জন্য দাদাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়ে এক মাস আটকে রাখলো জেলে। তখন দাদার অবর্তমানে বেঞ্জামিন পত্রিকা প্রকাশ অব্যাহত রেখেছিল। এই ঘটনার পর থেকে দাদার মনে জেগে উঠল ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা। যেভাবেই হোক ভাইকে না তাড়াতে পারলে সেইই হয়ে উঠবে একদিন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। সুতরাং চালাও অত্যাচার!

এই অত্যাচারের ফলে জেমস এর উদ্দেশ্য যেমন সফল হয়েছিল তেমনি বেঞ্জামিনের স্বপ্ন‌ও সার্থক হয়েছিল মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই। বাড়ি থেকে পালিয়ে সম্পূর্ণ অপরিচিত অজানা জায়গায় এসে, গড়ে তুলেছিল কাঙ্খিত ছাপাখানা এবং নিজের সম্পাদনায় প্রকাশ করেছিল দৈনিক সংবাদপত্র "পেনসিলভেনিয়া গেজেট" । তবে দাদার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয় বরং দাদার ত্রিসীমানা থেকে ৩০০ মাইল দূরে নিউইয়র্ক এ। সেই খবর যখন দাদার কাছে পৌঁছাল তখন কনিষ্ঠ ভ্রাতা আইনসভার সদস্য। গভর্নর থেকে শুরু করে সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে ওঠাবসা। হবেনাই বা কেন?
ছাপাখানার ব্যবসা, পত্রিকা চালানোর বিপুল কর্মকাণ্ড, লেখালেখি সামলিয়েও স্থানীয় মানুষের জন্য রাস্তা নির্মাণ, জল নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি, নাইট ক্লাবের সদস্যদের মদ্যপানর নেশা ছাড়ানোর লড়াই সবকিছুই দক্ষতার সাথে সামলাতেন। নিজের বাড়িতে গড়ে তুলেছিলেন পাবলিক লাইব্রেরী। এটিই পৃথিবীর প্রথম পাবলিক লাইব্রেরী। সেই লাইব্রেরীতে ভিড় করত দেশের ধনী, জমিদার, সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিরা। প্রত্যেকেই অবাক হতেন তাঁর জ্ঞান চর্চার পরিধি দেখে।

ফিলাডেলফিয়া বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার সময় দেশের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটছেন চাঁদা তুলতে। প্রায় তিনশ বছর আগে এখনকার মতো যানবাহনের প্লশ্ন‌ই ওঠেনা। পায়ে হেঁটে চলতে চলতেও ব‌ই পড়া ছিল তাঁর অদ্ভুত অভ্যাস।
এতসবের মধ্যেও বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণা ছিল প্রতিদিনের নেশা। কৃষকের দুরাবস্থা বিবেচনা করে আধুনিক যন্ত্রপাতি তৈরি এবং চাষাবাদের অনেক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনিই আবিষ্কার করেন বজ্রপাত থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্নর ঐতিহাসিক তথ্য। এরজন্য জীবনের ঝুঁকি নিতেও পিছপা হননি। যদিও সে যাত্রায় খুব বাঁচা বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি।
ফিলাডেলফিয়া শহরে তখন বাজ পড়ে বহু লোকের মৃত্যু হতো প্রতি বছর, বেঞ্জামিন এই বিপদ থেকে তার দেশবাসীকেই শুধু রক্ষা করেননি, বিশ্ববাসীও আজ তার দেখানো পথেই বজ্রপাত থেকে মুক্তিলাভ করে।

প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষিত না হয়েও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী হয়ে উঠেছিলেন এবং ইতিহাস জুড়ে তার স্বাক্ষর‌ও রেখেছেন সফলভাবে।

আজ তাঁর প্রয়াণ দিবস । মানবতাবাদী এই মনীষীকে প্রণাম জানাই 🙏

বিজ্ঞানকথাতে লিখেছেন বন্ধুবর
Asim Pal

আজ ১৫ এপ্রিল।

#ঘটনাবলি:
১৮৬৫ - মার্কিন রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিঙ্কন আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।

১৯৭৬ - আমেরিকা লিবিয়ার ত্রিপলি এবং ইয়ানগাজীতে হামলা চালায়।

১৯১২ - উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের নিউফাউন্ডল্যান্ডে বিখ্যাত টাইটানিক জাহাজ ২২২৪ জন যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়।

১৯৭২ - উত্তর ভিয়েতনামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক বোমা হামলা চালায়।

১৯৯৭ - মিনায় হাজি ক্যাম্পে অগ্নিকান্ডে ৩৪৩ জন হাজির মৃত্যু হয়।
#জন্ম:
১৩৬৭ - ইংল্যান্ডের রাজা চতুর্থ হেনরি জন্মগ্রহণ করেন।

১৪৫২ - ইতালীয় রেনেসাঁসের কালজয়ী চিত্রশিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি জন্মগ্রহণ করেন।

১৬৪২ - অটোমানের সুলতান দ্বিতীয় সুলাইমান জন্মগ্রহণ করেন।

১৭০৭ - সুইজারল্যান্ডের প্রখ্যাত ডাক্তার, নক্ষত্র ও গণিতবিদ লিওনার্দ ইউলার জন্মগ্রহণ করেন।

১৭৭২ - ফরাসি জীববিজ্ঞানী ও প্রাণিবিজ্ঞানী এতিয়েন জফ্রোয়া সাঁ-হিলের জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৩২ - জার্মান কবি, চিত্রশিল্পী ও অঙ্কনশিল্পী উইলহেলম বুসচ জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৫৮ - ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী ও দার্শনিক ডেভিড এমিল ডুর্খাইম জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৭৪ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ ইয়োহানেস ষ্টার্ক জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯০ - একজন রুশ ভাষাবিজ্ঞানী নিকোলাই ত্রুবেৎস্কোয় জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৯৪ - রাশিয়ান জেনারেল ও রাজনীতিবিদ নিকিতা ক্রুশ্চেভ জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৬ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী রাশিয়ান পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ নিকোলাই সেময়োনোভ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০৭ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ জীববিজ্ঞানি নিকোলাস টিনবারগেন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১২ - উত্তর কোরিয়ার জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ১ম সুপ্রিম লিডার কিম ইল-সাং জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১৪ - বাঙালি শিক্ষাবিদ ও লেখক অজিতকুমার গুহ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২০ - জার্মান সৈনিক ও রাজনীতিক, জার্মানি ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট রিচার্ড ভন ওয়েইযসাকের জন্মগ্রহণ করেন

১৯৩১ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ মনোবৈজ্ঞানিক, কবি ও অনুবাদক টমাস ট্রান্সট্রোমার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪৩ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ রবার্ট জোসেফ লেফকোইতজ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৫৮ - ইংরেজ অভিনেতা, লেখক, কবি ও নাট্যকার বেঞ্জামিন সফনিয় জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৩ - সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার মনজুর এলাহী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭০ - আমেরিকান অভিনেতা ফ্লেক্স আলেকজান্ডার জন্মগ্রহণ করেন

১৯৮৬ - ইংরেজ ফুটবলার টন হেয়াটন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৯০ - ব্রিটিশ অভিনেত্রী ও মডেল এমা ওয়াটসন জন্মগ্রহণ করেন

#মৃত্যু:
১৬৪১ - ইতালীয় বারোক চিত্রশিল্পী দমেনিকো জাম্পিয়েরি মৃত্যুবরণ করেন।

১৭৬৫ - রাশিয়ার বিখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও বিজ্ঞানী মিখাইল ভেসিলিভিচ লোমোনোসোভ।

১৯৩৮ - পেরুর কবি, লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক সেসার ভাইয়েহো।

১৯৫৭ - ভারত উপমহাদেশের অন্যতম কবি, তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক ও ছোট গল্পকার জগদীশ গুপ্ত।

১৯৮০ - ফরাসি অসিত্ত্ববাদী দার্শনিক, নাট্যকার, তিনি ছিলেন সাহিত্যিক ও সমালোচক জঁ-পল সার্ত্র।
১৯৮৬ - ফরাসি সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক অধিকার আন্দোলনকর্মী জ্যঁ জ্যেঁনে।

১৯৯৮ - আমেরিকান চিত্রশিল্পী উইলিয়াম কংডন।

১৯৮৯ - চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব হু ইয়াওবাং।

২০০৩ - ইংরেজ অভিনেতা ও ড্যান্সার রেজ বানডি।

২০১১ - ইতালিয়ান সাংবাদিক, লেখক ও সমাজকর্মী ভিটরিও আরিগনি।

২০১৫ - নেপালের রাজনীতিবিদ ও ২৪ তম প্রধানমন্ত্রী সূর্য বাহাদুর থাপা।

#দিবস:
আন্তর্জাতিক সার্বজনীন সংস্কৃতি দিবস।

#ইতিহাসের_এই_দিনে

১৯৬০ সালের ১ এপ্রিল ফ্রান্স আলজেরিয়ার ভূখণ্ডে তার দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা করে। ১৯৬০ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত ৭ বছরে তারা ১৭টি পরীক্ষা চালায়, মোট ১৯০ টি পারমাণবিক বোমা ফেলা হয় আলজেরিয়ায়। সেই এলাকার নিকটবর্তী জনগণকে এ ব্যাপারে আগে থেকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখে তারা।

এর তেজস্ক্রিয় প্রতিক্রিয়ায় আক্রান্ত হন ৬০ হাজার নিরীহ মুসলিম। বিকৃতি, মিসক্যারেজ, ক্যান্সার মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে আক্রান্ত এলাকাগুলোতে। ফ্রান্সের নিজের হিসেবেই সাতাশ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়; এরপরও ফ্রান্স তার দুষ্কর্মের জন্য আলজেরিয়ার জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানায়।


আজ ২৯ মার্চ
ইতিহাসে আজকের এই দিনে ঘটে গেছে উল্লেখযোগ্য অনেক ঘটনা।
এক নজরে দেখে নিন আজকের দিনের বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়:

ঘটনাবলি:
১৭৯৫ - পিয়ানো বাদক হিসেবে বেটোভেনের আত্মপ্রকাশ।
১৭৯৮ - সুইজারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়।
১৭৯৯ - দাসপ্রথা উচ্ছেদে নিউ ইয়র্কে আইন পাস হয়।
১৮০৭ - জার্মান জ্যোর্তিবিদ উইলহেম অলবার্স ক্ষুদ্রতম গ্রহ ভেস্টা আবিষ্কার করেন।
১৮৪৯ - লর্ড ডালহৌসি সমগ্র পাঞ্জাবকে ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে ঘোষণাপত্র প্রচার করেন।
১৮৫৪ - ডিরোজিও শিষ্য রামগোপাল ঘোষ ভারতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করেন।
১৮৫৭ - ব্যারাকপুর সেনা ব্যারাকে মঙ্গল পান্ডে গুলি ছুড়ে সিপাহী বিদ্রোহের সূচনা করেন।
১৮৭১ - রানি ভিক্টোরিয়া লন্ডনের আলবার্ট হল উদ্বোধন করেন।
১৯২০ - ব্রিটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
১৯৭৩ - সর্বশেষ মার্কিন সেনাদলের ভিয়েতনাম ত্যাগ।
১৯৭৪ - চালকবিহীন মার্কিন নভো অনুসন্ধান যান মেরিনার টেন বুধ গ্রহ ভ্রমণ করে।
১৯৮৪ - আতাউর রহমান খান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত।
১৯৯১ - বিশ্বের প্রাচীনতম কমিউনিস্ট পার্টি ব্রিটেন কমিউনিস্ট পার্টির নাম বদলে ‘ডেমোক্র্যাটিক লেফট’ রাখা হয়।
২০১৫ - অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে একাদশ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়৷ নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে অস্ট্রেলিয়া ৫ম বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়।
জন্ম:
১৭৯০ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দশম রাষ্ট্রপতি জন টাইলার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২৭ - ভেননোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ ফার্মাকোলজিস্ট ও একাডেমিক জন রবার্ট জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২৯ - বাঙালি অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক ও লেখক উৎপল দত্ত জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪১ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ জোসেফ হুটন টেইলর জুনিয়র জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫১ - বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম বীর মুক্তিযোদ্ধা শফি ইমাম রুমী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬০ - আমেরিকান অভিনেত্রী অ্যানাবেলা সচিওরা শাইওরা জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭৩ - ডাচ ফুটবলার মারচ ওভারমারস জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮০ - আমেরিকান অভিনেতা ক্রিস ডি এলিয়া জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৪ - ইংরেজ গায়ক ফিলিপ হানা জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৯৪ - দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেত্রী, গায়ক ও ড্যান্সার সুলি জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু:
০০৮৭ - চীনের সম্রাট হান জ্যু মৃত্যুবরণ করেন।
১০৫৮ - নবম পোপ স্টিফেন মৃত্যুবরণ করেন।
১৩৬৮ - জাপানের সম্রাট গো মুরাকামি মৃত্যুবরণ করেন।
১৪৬২ - জাপানের সম্রাট গো মুরাকামির মৃত্যু।
১৭৭২ - সুইডেনের বিখ্যাত বুদ্ধিজীবী, রহস্যবাদী দার্শনিক এবং খৃষ্ট ধর্মে সুপন্ডিত এমানুয়েল সুইডেনবার্গ পরলোকগমন করেন।
১৯১২ - সুমেরু অভিযাত্রী রবার্ট স্কট মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৪৮ - করেন হ্যারি প্রাইস, তিনি ছিলেন ইংরেজ লেখক মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৭০ - করেন আন্না লউইসে স্ট্রং, তিনি ছিলেন আমেরিকান সাংবাদিক মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৭৮ - সাহিত্যিক প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৮৭ - প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ ইন্তেকাল করেন।
১৯৮৯ - ফরাসি অভিনেতা করেন বার্নার্ড বলিয়ের মৃত্যুবরণ করেন।
২০০৫ - জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বাংলাদেশি কণ্ঠশিল্পী খালিদ হাসান মিলু মৃত্যুবরণ করেন।
২০০৫ - গ্রিক কবি মিলতস সাছতউরিস মৃত্যুবরণ করেন।
২০০৯ - আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক অ্যান্ডি হাল্লেত্ত মৃত্যুবরণ করেন।
২০১১ - গ্রিক কবি, নাট্যকার, চিত্রনাট্যকার, গীতিকার ও ঔপন্যাসিক ইয়াকভস কাম্বানেলিস মৃত্যুবরণ করেন।
২০১৪ - আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক ও ড্যান্সার মাক প্লাট মৃত্যুবরণ করেন।

ছুটি ও অন্যান্য:
বোগান্ডা দিবস - সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক।
যুব দিবস - তাইওয়ান।


আজ ২৭ মার্চ, বিশ্ব নাট্য দিবস। ১৯৬১ সালের জুন মাসে ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউটের (আইটিআই) নবম কংগ্রেসে বিশ্ব নাট্য দিবস প্রবর্তনের প্রস্তাব গৃহীত হয়। পরের বছর প্যারিসে অনুষ্ঠেয় (১৯৬২ সালে) থিয়েটার অব নেশন্স উৎসবের সূচনার দিনটি অর্থাৎ ২৭ মার্চ প্রতি বছর বিশ্ব নাট্য দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

১৯৮২ সাল থেকে বাংলাদেশে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে। ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউট (বাংলাদেশ কেন্দ্র), শিল্পকলা একাডেমি, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান এবং পথনাটক পরিষদ সম্মিলিতভাবে দিবসটি উদযাপন করে।

২০ মার্চ,
জেনে নিন ইতিহাসে আজকের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, জন্ম ও মৃত্যুঃ-

ঘটনাবলী:
১৬৮৬ – কলকাতার সুতানটি গ্রামে প্রথম ব্রিটিশ পতাকা উত্তোলন করা হয়।
১৭৩৯ – নাদির শাহ দিল্লি দখল করেন।
১৮১৪ - যুবরাজ উইলিয়াম ফ্রেডরিক নেদারল্যান্ডসের রাজা হন।
১৯৩৫ – ব্রিটিশ কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৯১ - খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

জন্ম:
১৪৯৭ - আটাওয়ালপা, ইনকা সম্রাট।
১৬১৫ – মোঘল সম্রাট শাহজাহানের প্রথম পুত্র। দারাশিকো
১৮২৮ - হেনরিক ইবসেন, একজন নরওয়েজীয় নাট্যকার যিনি আধুনিক বাস্তবতাবাদী নাটকের সূত্রপাত করেছেন।
১৯২০ - চিন্ময় লাহিড়ী বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ।
১৯৮৯ - তামিম ইকবাল, বাংলাদেশজাতীয় ক্রিকেট দলের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।


মৃত্যু:
১৯২৫ - জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন উপনিবেশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয়।
১৯২৬ - কাজী ইমদাদুল হক, ব্রিটিশ ভারতের বাঙালি কবি।
১৯৪৪ - মন্মথনাথ ঘোষ (বিদ্যাবিনোদ), বাঙালি শিল্পোদ্যোগী ও সাহিত্যিক।
১৯৬২ - বীরেশচন্দ্র গুহ ভারতের প্রখ্যাত প্রাণরসায়ণ বিজ্ঞানী।
১৯৭৩ - শ্যামাপদ গোস্বামী প্রখ্যাত বাঙালি সাঁতারু।
১৯৮৮ - অখিলবন্ধু ঘোষ বিশিষ্ট বাঙালি সঙ্গীত শিল্পী।
১৯৯১ - রমা চৌধুরী ভারতের প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ ও লেখিকা।
১৯৯৩ - বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায় প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ।
২০১৩ - বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সিঙ্গাপুরে পরলোকগমন।
২০১৪ - ভারতের বিখ্যাত রম্যলেখক ও সাংবাদিক খুশবন্ত সিং।
২০১৭ - লেখিকা অধ্যাপক জুবাইদা গুলশান আরা।


দিবস ও অন্যান্য
আন্তর্জাতিক সুখ দিবস
বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবস (২০১৩ থেকে)

সুত্র: উইকিপিডিয়া


মানজারুল ইসলাম রানা খুলনায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা বাংলাদেশী ক্রিকেটার ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে ছয়টি টেস্ট ও ২৫টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন।
২০০০ সালের ২২ নভেম্বর প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে খুলনা বিভাগের হয়ে রানার অভিষেক ঘটে। ঐ ম্যাচে তিনি ব্যাট করেননি।
৩০ জানুয়ারি ২০০৩ এবং ৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ এর মধ্যে রানা ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেননি। ২০০৩ সালের ৭ নভেম্বর চট্টগ্রামে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রানার অভিষেক ঘটে। মোহাম্মদ রফিক এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে তিনি তার তৃতীয় বলেই মাইকেল ভনকে আউট করেন। তিনি প্রথম বাংলাদেশী ক্রিকেটার যিনি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রথম ওভারেই উইকেট নিয়েছেন।২০০৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রানার টেস্ট অভিষেক ঘটে। এই ম্যাচে তিনি ২০.২ ওভার বল করে ৬৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। টেস্টে তার প্রথম শিকার শন আরভিন। এই ম্যাচের ১ম ইনিংসে অপরাজিত ৩৫* ও ২য় ইনিংসে ৩২ রান করেন।

২০০৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ দলের জিম্বাবুয়ে সফরে রানা ওয়ানডে সিরিজে দুইবার ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন।
২০০৭ সালের ১৬ই মার্চ খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বালিয়াখালি ব্রিজের নিকট এক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি এবং তার ক্লাব সতীর্থ সাজ্জাদুল হোসেন সেতু নিহত হন। দুর্ঘটনার সময় রানা নিজেই মোটরসাইকেল ড্রাইভ করছিলেন। মৃত্যুকালীন তার বয়স ছিল মাত্র ২২ বছর ৩১৬দিন। এর ফলে আর্চি জ্যাকসনের সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে মৃত্যুর রেকর্ড ভেঙ্গে যায়।
আজতার মৃত্যুবার্ষিকী। আজকের এইদিনে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

17-Jun-2021 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 387+)
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড হলো বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক সঞ্চয়ের লক্ষে প্রবর্তিত এক প্রকার কাগুজে মুদ্রা পদ্ধতি। যা যে কোন ব্যাক্তি যে কোন সময় ক্রয় করতে পারেন বা বাঙাতে পারে, কিন্ত জমার বিষয় হলো, প্রতিটি প্রাইজ বন্ড এর কোনায় টাকার ন্যায় যে নম্বর থাকে সেই নম্বর বছরে ৪টার ড্র অনুষ্ঠিত হয়, যা বাংলাদেশ ব্যাংক আয়োজন করেন ও পুরস্কার প্রদান করেন। পুরষ্কার না পেলেও কোন ক্ষতি নেই, বাংলাদেশ ব্যাংকের সমস্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক (সরকারী, আধা-সরকারী ও বেসরকারী ব্যাংক), ক্যাশ অফিস ও ডাকঘর থেকে কেনা ও ভাঙানো যায়। এট বছরে ৪বার ড্র অনুষ্ঠিত হয় যথা ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর। হ্যাকিং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরির ঘটনার পর কোন গভর্নর সেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।
(A) ফজলে কবির
(B) ড. আতিউর রহমান
(C) ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ