May by Known

ঘরে অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে অ্যালোভেরা 🪴

পালকি
*******
বাংলাদেশে এক সময় অভিজাত শ্রেণীরা এই বাহনে চলাচল করতো। দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানেও এর ভালই প্রচলন ছিল। বিয়েতে বর এবং কনের জন্য পালকি ব্যবহারের প্রথা চালু ছিল। এছাড়াও অসুস্থ মানুষকে হাসপাতালে বা, অক্ষম মানুষকে বিভিন্ন স্থানে নেয়ার জন্যও পালকি ব্যবহার হতো।
বাংলাদেশের পালকিগুলো বিভিন্ন আকৃতির হয়ে থাকে। এর গঠন শৈলীতেও রয়েছে ভিন্নতা। সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ নকশার পালকিকে ডুলি বলা হয়। এই ডুলি সাধারণত ২ জন বহন করে নিয়ে চলে। বাংলাদেশে এক সময় হাড়ি, মাল, দুলে, বাগদি বা, উড়ি প্রভৃতি সম্প্রদায়ের লোক পালকি বহনের কাজ করতো। এরা পালকি বহনের পাশাপাশি দিনমজুরের কাজ এবং মাছের ব্যবসাও করতো।

কাঠ মিস্ত্রীরা সেগুন কাঠ, শিমুল কাঠ, গান কাঠ প্রভৃতি কাঠ দিয়ে তৈরি করতো পালকি। পালকির বহন করার দন্ডটিকে বাঁট বলে। এই বাঁট তৈরি হত বট গাছের বড় ঝুরি দিয়ে। তখন বাংলাদেশে তিন রকমের পালকি দেখা যেতো। সাধারণ পালকি, আয়না পালকি এবং ময়ূরপঙ্খি পালকি। সাধারণ পালকি দেখতে আয়তাকার ছিল। ঢালু ছাদ এবং চারদিকে কাঠের আবরণ এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল। এর দু দিকে দুটি দরজাও থাকতো।

আয়না পালকির বৈশিষ্ট্য হলো এতে আয়না লাগানো থাকতো। ভেতরে চেয়ারের মতো দুটি বসার জায়গা এবং একটি টেবিলে রাখা হতো। তবে আয়তনের দিক থেকে বলতে গেলে ময়ূরপঙ্খি পালকি সবচেয়ে বড়। এই পালকিটি ময়ূরের আকৃতিতে তৈরি করা হয়। এর ভেতরে দুটি চেয়ার, একটি টেবিল এবং একটি তাকও থাকতো

তবে উনবিংশ শতাব্দীতে এসে সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে যাতায়াতের বাহন হিসেবে পালকির ব্যবহার প্রায় বন্ধই হয়ে যায় বলা চলে। বিশেষ করে ১৯৩০ এর পর থেকে শহরাঞ্চলে রিক্সার প্রচলন শুরু হলে পালকির ব্যবহার উঠে যায়। বর্তমানে আমাদের পালকিকে আমাদের অতীত ঐতিহ্যের নিদর্শন হিসেবেই ধরা হয়। বেহারাদের কাঁধ থেকে পালকির স্থান এখন হয়েছে বিভিন্ন জাদুঘরে। সভ্যতা এবং বাস্তবতার কথা চিন্তা করলে পালকিকে হয়ত আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে আমরা এবং আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম যাতে পালকির কথা ভুলে না যাই সেদিকে আমাদের সচেষ্ট দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।
লেখা: Roar বাংলা
ছবিতে:
A bride is carried by the traditional "Palki" after the wedding. Bangladesh (1970s)

Original Title- "Sailing Home"

Photographer- Anwar Hossain.

17-Jun-2021 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 387+)
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড হলো বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক সঞ্চয়ের লক্ষে প্রবর্তিত এক প্রকার কাগুজে মুদ্রা পদ্ধতি। যা যে কোন ব্যাক্তি যে কোন সময় ক্রয় করতে পারেন বা বাঙাতে পারে, কিন্ত জমার বিষয় হলো, প্রতিটি প্রাইজ বন্ড এর কোনায় টাকার ন্যায় যে নম্বর থাকে সেই নম্বর বছরে ৪টার ড্র অনুষ্ঠিত হয়, যা বাংলাদেশ ব্যাংক আয়োজন করেন ও পুরস্কার প্রদান করেন। পুরষ্কার না পেলেও কোন ক্ষতি নেই, বাংলাদেশ ব্যাংকের সমস্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক (সরকারী, আধা-সরকারী ও বেসরকারী ব্যাংক), ক্যাশ অফিস ও ডাকঘর থেকে কেনা ও ভাঙানো যায়। এট বছরে ৪বার ড্র অনুষ্ঠিত হয় যথা ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর। হ্যাকিং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরির ঘটনার পর কোন গভর্নর সেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।
(A) ফজলে কবির
(B) ড. আতিউর রহমান
(C) ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ