May by Known

পল্টু : কি রে, বউয়ের সাথে তোর ঝগড়া মিটমাট হলো?
বল্টু : আমার সামনে এসে হাঁটু গেড়ে বসলো, তারপর সব ঠিকঠাক হয়ে গেল।
পল্টু : কি বলছিস রে ব্যাটা? তোর বউ হাঁটু গেড়ে বসলো?
বল্টু : হাঁটু গেড়ে বসে বলল, খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো, আর মারবো না!

পিন্টু: হাসপাতাল থেকে অপারেশন না করেই পালালি কেন?
ঝন্টু: দোস্ত, না পালিয়ে উপায় ছিল না!
পিন্টু: তাই বলে এক্কেবারে অপারেশন টেবিল থেকে! কেন কাপুরুষতা করলি?
ঝন্টু: নার্স শুধু বারবার বলছিল, ছোট অপারেশন, ভয়ে কাঁপবেন না,স্যার! খোদার ওপর ভরসা রাখেন! ভয় পাওয়ার কিছুই নেই... পিন্টু: ভীতুর ডিম কোথাকার! মাথামোটা নার্স তোরে এইসব বললো আর এতেই পালিয়ে এলি?
ঝন্টু: আরে আমাকে না, এসব বলছিল ডাক্তারকে...

বাংলাদেশের তিন প্রান্তে থাকা তিন পুরোনো বন্ধুর অনেকদিন পর দেখা।
কথা প্রসঙ্গে তারা একে অপরকে জিজ্ঞেস করলো- আচ্ছা, কোন জিনিস সবচেয়ে দ্রুত বলতো?
প্রথমজন বললো, চোখের পাতা ফেলা সবচেয়ে দ্রুত ঘটে! কারণ দ্যাখ, আমরা চোখের পাতা ফেলার সাথে সাথেই আবার সবকিছু আগের মত করে দেখতে পাই!
দ্বিতীয়জন বললো, আমার ধারণা আলো সবচেয়ে দ্রুতগামী, কারণ আমরা সুইচ টেপার সাথে সাথেই ঘর থেকে সব অন্ধকার পালিয়ে যায় এবং ঘর আলোকিত হয়ে যায়! দেখিস না, বিদ্যুৎ চমকালে আগে আমরা আলো দেখি, এরপর শব্দ শুনি?
তৃতীয়জন কিছুক্ষণ ভেবে এরপর বললো, আমার ধারণা এসবের কিছুই না।
বাকি দুই বন্ধু একসঙ্গে জিজ্ঞেস করলো, কীভাবে? তৃতীয়জনের উত্তর- কদিন আগে বরিশাল গেলাম অফিসের কাজের জন্য।
ওদের ওখানকার তরকারি খেয়েছিলাম, প্রচুর পরিমাণে ঝাল খায় ওরা! তারপর হোটেলে শুয়ে আছি, হঠাৎ করেই পেটের ভেতর মোচড় দিয়ে উঠলো! তখন চোখের পাতা ফেলার সময়ও পেলাম না, সুইচও টিপতে পারলাম না! তার আগেই........

অনেক দিন পর দুই বন্ধুর দেখা। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গল্পের এক ফাঁকে একজন আরেকজনকে বর্তমানে চাকরি কার কেমন চলছে জিজ্ঞেস করতেই. . .
প্রথম বন্ধু : আজই চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে এলাম।
দ্বিতীয় বন্ধু : কেন? এ কী বলিস তুই? কী হয়েছিল মালিকের সঙ্গে?
প্রথম বন্ধু : আর বলিস না, কোম্পানির এমডি ডেকে নিয়ে যা বললেন, তাতে আর ওই অফিসে কাজ করা যায় না।
দ্বিতীয় বন্ধু : অত সেন্টিমেন্টাল হোস কেন রে? চাকরি করতে গেলে বসদের একটু-আধটু কথা শুনতেই হয়।
বল তো এমডি তোকে কী বলেছেন?
প্রথম বন্ধু : একটি পত্র হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, এ মুহূর্তে তোমাকে বরখাস্ত করলাম।

হাসির রাজ
১ম বন্ধু : জানিস, আমি ছোটবেলায় একবার পাঁচতলা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছিলাম।
২য় বন্ধু : বলিস কি! তারপর? তারপর কী হলো? তুই কি মরে গিয়েছিলি?
১ম বন্ধু : কী জানি! ছোটবেলার কাহিনি কি আর এখন মনে আছে?

হাসির রাজ
বাপ্পী : জানিস, আজ আমার জন্মদিন।
মাহি : তাতে কী হয়েছে?
বাপ্পী : ঠিক করেছি সারাদিন ভালো হয়ে চলবো, কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবো না, সবার কথা শুনবো, কাউকে না বলবো না।
মাহি : তাহলে ৫০০ টাকা ধার দে তো!

মন্টু গেছে ঝন্টুর বাড়ি।
ঝন্টু: হালুয়া না পায়েস? কোনটা খাবি দোস্ত?
মন্টু: তোদের বাড়িতে কি প্লেট একটা নাকি?

প্রথম বন্ধু : জানিস, কাল ইন্দিরার হাত ধরে দ্রুত দুটি চুমু খেয়ে নিলাম।
দ্বিতীয় বন্ধু : চুমু খেতে গিয়ে হাত ধরলি কেন?
প্রথম বন্ধু : না হলে ওর পাঁচ আঙুলের দাগ বসে যেত আমার গালে।

অনেকদিন পর দুই বন্ধুর দেখা। নিজাম স্মার্ট-শিক্ষিত আর কমল অশিক্ষিত, বোকা ধরনের।
কিছুক্ষণের মধ্যেই সুখ-দুঃখের কথায় মেতে উঠল তারা-
নিজাম : দোস্ত, বিয়া করছি বিউটি কুইন। মাগার আন্ডার মেট্রিক। তবে আমি নিজে তারে মেট্রিক পাস করাইছি।
এরপর আইএ, বিএ এবং শেষ পর্যন্ত মাস্টার্সও পাস করাইছি। অহন কী করি ক তো?
কমল : তুই তো দেখতেছি তার লাইগা বাপের চাইতে বেশি কইরা ফালাইছস। ভালা করছস।
এইবার একটা ফার্স্টকেলাস পাত্র দেইখা হেরে বিয়া দিয়া দে।

কম তেল খরচ হয় এমন গাড়ি কিনবেন পাবলু। খোঁজ-খবর নিতে গেলেন গাড়িওয়ালা বন্ধু পলার কাছে।
পাবলু : দোস্ত, এক লিটারে কয় কিলোমিটার চালাস তোর গাড়ি?
পলা : পাঁচ কিলো।
পাবলু : মানে! তোর গাড়ি কী রাক্ষস নাকি? মাত্র পাঁচ কিলো যেতে এক লিটার গিলে খায়!
পলা : না, আমি চালাই পাঁচ কিলো, বাকি ২৫ কিলো চালায় আমার বউ।


এক কৃপণ ছেলের সঙ্গে এক কৃপণ মেয়ের প্রেম চলছে।
একদিন রাতে মেয়েটি তার বয়ফ্রেন্ডকে আসতে বলল
তার বাসায়।
মেয়ে : সবাই ঘুমিয়ে পড়লে আমি উপর থেকে একটা কয়েন ফেলব।
তুমি কয়েনের শব্দ পেলে চুপিচুপি উপরে চলে আসবে।
কথামতো রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে মেয়েটি নিচে কয়েন ফেলল। কয়েন পড়ার ঝনঝন শব্দ হলো।
কিন্তু বয়ফ্রেন্ডের আসার আর নাম নেই। প্রায় এক ঘণ্টা পরে চুপিচুপি বয়ফ্রেন্ডের আগমন।
মেয়ে : কী ব্যাপার? এতক্ষণ লাগালে যে? কয়েন ফেলার শব্দ পাওনি?
ছেলে : পেয়েছি তো, কিন্তু অন্ধকারে কয়েনটা খুঁজতে খুঁজতে দেরি হয়ে গেলো।
মেয়ে : আরে ধুর, আমি কি অত বোকা? কয়েনটা তো আমি সুতো দিয়ে বেঁধে নিচে ফেলে আবার উপরে তুলে নিয়েছি!

স্ত্রী : কি ব্যাপার। বাজার থেকে পিঁয়াজ আনেন নাই কানো। পিঁয়াজের দাম বেশি বলে?
স্বামী: না। ঠিক তা না
স্ত্রী : তাহলে কি
স্বামী : পিঁয়াজ কাটতে বসে তোমার প্রতিদিন চোখের জল আসে, এই দৃশ্য আমি সহ্য করতে পারিনা

প্রেমিক : জান কী করছো?
প্রেমিকা : তোমাকে নিয়ে ভাবছি!
প্রেমিক : তুমি আমাকে নিয়ে এতো ভাবো!
প্রেমিকা : ভাববো না, তুমি তিন বার আমার মিসড কল ধরে তিন টাকা পঁয়তাল্লিশ পয়সা নষ্ট করছো। বজ্জাত!

প্রেমিক : আমি কোন কোন দিকে তাকাতে পারবো বলে দাও।
প্রেমিকা : ভালো বুদ্ধি। তুমি শুধু তোমার পায়ের বুড়ো আঙুলের দিকে তাকাবে। এভাবে নিচের দিকে তাকিয়ে চলাচল করবা। ওকে?
প্রেমিক : হুম। ওকে!
প্রেমিকা : দ্যাটস মাই বয়! এই নাও ফ্লায়িং পাপ্পি!
প্রেমিক : এতো কিছুর পর যে পাপ্পি দিলা ওটাও ফ্লায়িং!
প্রেমিকা : কিছু বললা?
প্রেমিক : নাহ! এখন আসি তাইলে?
প্রেমিকা : যাও।
চার ঘণ্টা পর-
প্রেমিকা : বেবি, তুমি কই?
প্রেমিক : হাসপাতালে।
প্রেমিকা : কেন?
প্রেমিক : তোমার কথা শুনে পায়ের বুড়ো আঙুলের দিকে তাকিয়ে বাইক চালাইছিলাম। তারপর কিছু মনে নাই।
উঠে দেখি হাসপাতালে আছি!
প্রেমিকা : তাই? সাবধান! নার্সের দিকে তাকাবে না!

পার্কে ঘুরতে গিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকার কথোপকথন-
প্রেমিক : আমার প্রেমে পড়ার আগে আর কারো সঙ্গে প্রেম হয়েছিল তোমার?
প্রেমিকা : দাঁড়াও।
প্রেমিক : কী হলো?
প্রেমিকা : বলছি না চুপ।
প্রেমিক : কিছু বলছো না যে? রাগ করলে?
প্রেমিকা : নাহ, রাগ করিনি। আমি গুনছি!

একটা ছেলে তার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে এক দিন ঘুরতে গেল।
পরে রাস্তায় হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়ে ছেলেটি জখম হলো। তার পা থেকে রক্ত বের হতে থাকলো।
ছেলেটি মেয়েটির দিকে তাকিয়ে থাকলো।
ভাবতে লাগলো- এখনি তার গার্লফ্রেন্ড ওড়না ছিঁড়ে বেঁধে দেবে।
মেয়েটি তার বয়ফ্রেন্ডের চোখের ভাষা বুঝতে পেরে বলল, জানু, প্লিজ এমনটা ভেবো না।
এটা আমার ৯ হাজার টাকা দামের লেহেঙ্গা।

জরিনা : জান, আগামীকাল আমার বার্থডে, আমাকে তুমি কি দিবা?
মোখলেস : আমি তোমাকে একটা রিং দেব!
জরিনা : সত্যি, রিং দিবা?
মোখলেস : হ্যাঁ, বললাম তো রিং দেব।
জরিনা : ওয়াও! ইউ আর রিয়েলি গ্রেট!
মোখলেস : কিন্তু জান, তুমি রিংটা ধরো না!
জরিনা : কেন? তুমি দিবা আর আমি নেব না, তা কি হয়?
মোখলেস : না মানে, আমার মোবাইলের ব্যালেন্স অনেক কম!

মেয়ে : তুমি আমার বাবাকে আমাদের সম্পর্কের কথা বলেছো?
ছেলে : হ্যাঁ, বলেছি।
মেয়ে : তুমি কি বলেছো, রাতে আমাকে ছাড়া তোমার ঘুম হয় না।
ছেলে : হ্যাঁ, বলেছি।
মেয়ে : তিনি কি বলেছেন?
ছেলে : এটা শুনে তিনি আমাকে রাতে তার ফ্যাক্টরি দেখাশোনা করার দায়িত্ব দিয়েছেন।

অনলাইন চ্যাটিং অভিসারে গদগদ প্রেমিক: তো তোমার বাবার সঙ্গে দেখাটা কখন করলে ভাল হয়?
প্রেমিকা: যখন বাবা খালি পায়ে থাকেন মানে পায়ে জুতো থাকে না।

মেয়ে : এই শোনো, বিয়ের পরে তুমি যৌতুক হিসেবে কী কী নেবে?
ছেলে : তেমন কিছু না। শুধু একটি জিনিস চাইবো!
মেয়ে : কী? ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভি?
ছেলে : না।
মেয়ে : তাহলে কী? ডিএসএলআর?
ছেলে : না, এসব কিছু না।
মেয়ে : তাহলে কী, ফ্রিজ? বড় না কি মিডিয়াম? অবশ্য আমাদের মিডিয়াম ফ্রিজ দিয়েই চলবে।
ছেলে : না না, ফ্রিজ-ট্রিজ এসব না।
মেয়ে : তাহলে নিশ্চয়ই এসি? এই শোনো, এসি কিন্তু আমার ভালো লাগে না।
বেশিক্ষণ থাকলে কেমন জানি অস্বস্তি লাগে।
ছেলে : ধুর না, এসি-টেসি কিচ্ছু না।
মেয়ে : বুঝছি, বিয়ের পর দেশের বাইরে হানিমুন করার ব্যবস্থাটা যাতে আমার ফ্যামিলি করে দেয়, তাই তো?
ছেলে : ধুর না। হানিমুন-টানিমুন না।
মেয়ে : তাহলে কী?
ছেলে : বিয়ের পর তুমি কোনো হিন্দি সিরিয়াল দেখতে পারবে না।
মেয়ে : ...
ছেলে : হ্যালো, হ্যালো, এই শুনতে পাচ্ছো? হ্যালো...

বল্টু তার গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে ডেটিংয়ে এসেছে. . .
গার্লফ্রেন্ড : আমি আমার পার্সটা ভুলে বাসায় রেখে এসেছি।
বল্টু : তাতে কী হয়েছে?
গার্লফ্রেন্ড : কিন্তু এখন আমার ২ হাজার টাকার খুব দরকার।
বল্টু : কোনো সমস্যা নেই, আমি আছি না। এই নাও ২০ টাকা, এটা দিয়ে রিকশা করে বাসায় গিয়ে পার্সটা নিয়ে এসো।

প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে কথা হচ্ছে. . .
প্রেমিকা : আচ্ছা, আমি দেখতে কেমন?
প্রেমিক : খুব সুন্দর।
প্রেমিকা : আবার বলো তো।
প্রেমিক : সুন্দর।
প্রেমিকা : প্লিজ, আবার বলো।
প্রেমিক : আরে বাবা, একটা মিথ্যা কথা আর কতবার বলা যায়।

পাপ্পু তার গার্লফ্রেন্ড রিমির সঙ্গে কথা বলছে. . .
পাপ্পু : আই লাভ ইউ।
রিমি : আই লাভ ইউ টু।
পাপ্পু : কতটা ভালোবাসো তুমি আমাকে?
রিমি : যতটা ভালোবাসো তুমি আমাকে।
পাপ্পু : ফাজিল মেয়ে, তার মানে তুমিও আমার সঙ্গে টাইম পাস করো।পাপ্পু তার গার্লফ্রেন্ড রিমির সঙ্গে কথা বলছে. . .
পাপ্পু : আই লাভ ইউ।
রিমি : আই লাভ ইউ টু।
পাপ্পু : কতটা ভালোবাসো তুমি আমাকে?
রিমি : যতটা ভালোবাসো তুমি আমাকে।
পাপ্পু : ফাজিল মেয়ে, তার মানে তুমিও আমার সঙ্গে টাইম পাস করো।

মেয়ে: আমি যদি তোমাকে না পাই, তাহলে পানিতে ডুবে মরবো।
ছেলে: লাভ নাই।
মেয়ে: কেন?
ছেলে: কারণ, প্রেমের মরা জলে ডোবে না। অন্য উপায় বের কর।

এক ব্যাক্তি গরু হারিয়ে গেছে।তাই সে বনে গরু খোঁজছে।
এক সময় সে চিন্তা করলো গাছের উপরে উঠে উকি দিয়ে দেখি, গরুটি কোথায়?
যথারীতি সে গাছে উঠে,,,,তারপর খোঁজতে শুরু করে।এমন সময় গাছের নিছে এক প্রেমিক তার প্রেমিকাকে বলছে,,, জান আমি তোমার চখের দিকে তাকিয়ে পৃথিবীর সব কিছু দেখতে পারি,,,তখন গাছে থাকা লোকটি সেই প্রমিককে বলছে ভাই ভাই ওই মেয়েটির চখের দিকে তাকিয়ে বলে দিন প্লিস,আমার গরুটা কোথায়???

মেয়ে : আমি যদি মশা হতাম, তাহলে তোমাকে দিনে একশটা কিস দিতাম।
পল্টু : আমিও খুব হ্যাপি হতাম।
মেয়ে : কেন?
পল্টু : কারণ তোমাকে দিনে একশটা থাপ্পর মারতে পারতাম!

ডা. হরিপদ একজন দাঁতের চিকিৎসক। এক সন্ধ্যায় দেখা গেল চেম্বারের বাইরে দাঁড়িয়ে আনন্দে লাফাচ্ছেন তিনি।
ছুটে এল হরিপদের ব্যক্তিগত সহকারী-
সহকারী : স্যার, কোন সমস্যা?
হরিপদ : সমস্যা হলে কি আমি আনন্দে নাচি বেকুব?
সহকারী : সেটাই তো বলছি স্যার, ভেতরে রোগী বসিয়ে রেখে আপনি বাইরে দাঁড়িয়ে নাচানাচি করছেন কেন?
হরিপদ : ভেতরে যে রোগী বসে আছে, সে কে জানো?
সহকারী : না তো! কে স্যার?
হরিপদ : একজন পুলিশ সার্জেন্ট, যে গতকাল দ্রুত গাড়ি চালানোর অপরাধে আমার ৬০০ টাকা জরিমানা করেছে।
আজকে তাকে পেয়েছি!

শিক্ষক ছাত্রকে বলছেন. . .
শিক্ষক : বল তো ছোটন, ঢাকা কোথায় অবস্থিত?
ছোটন : খাটের নিচে স্যার।
শিক্ষক : এসব কী বল?
ছোটন : বাড়ির মালিক যখন ভাড়া চাইতে আসেন, তখন আম্মু বলেন- আব্বু ঢাকা গেছেন। তখন তো আব্বু খাটের নিচে থাকেন।

ছেলে পড়ছেঃ ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে...
বাবাঃ গুড বয়, পড়।
ছেলেঃ বাবা, পিতাদের এত ঘুমানোর কী প্রয়োজন?

ববি : মা, তুমি আমাকে মিথ্যা কথা বলেছিলে কেন?
মা : তোকে আবার মিথ্যা কথা বলতে যাবো কেন?
ববি : তুমি গতকালই তো বলেছিলে আমার ছোট বোনটা নাকি পরী?
মা : হ্যা, ঠিকই তো! ও তো পরীই!
ববি : তাহলে আমি একটু আগে ওকে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দিলাম, ও তখন ডানা মেলে উড়ল না কেন?

শিক্ষক : এমন একটা জায়গার নাম বল তো যেটা পুরুষ বানিয়েছে কিন্তু সেখানে সে যেতে পারে না?
বিল্টু : লেডিস টয়লেট স্যার!

স্বামী ভোরবেলা স্পোর্টস ট্রাউজার-কেডস পরে জগিংয়ে যাচ্ছে।
কী মনে করে স্ত্রীকেও সঙ্গে নিতে চাইলো। ঘুমে বিভোর স্ত্রীকে জাগিয়ে বললো-
চল, জগিং করতে যাই।
স্ত্রী: জগিং করার দরকারটা কী পরলো এই সকাল সকাল!
স্বামী: মন চাঙ্গা থাকে সারাদিন আর শরীরের চর্বিও ঝড়ে যায়। স্লিম স্বাস্থ্যের সহায়ক জগিং।
স্ত্রী : ও...ও...ও! তার মানে তোমার চোখে আমি এখন মুটকি হয়ে গেছি, তাইনা ?
স্বামী: না না! কথা সেটা না। এমন হাল্কা ব্যায়াম তো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো...
স্ত্রী: তার মানে আমার শরীর অসুস্থ! তোমার বোঝা হয়ে গেছি এখন!
স্বামী: না না,তা বলবো কেন? আচ্ছা তুমি যেতে যখন চাওনা তখন থাক...
স্ত্রী: তার মানে আমি অলস, কুঁড়ের বাদশা! নড়তে-চড়তে চাই না- এটাই তো বলবে এখন সবাইকে? তারপর সুযোগ তৈরি করবে আরেকটা...
স্বামী: ওহ হো! তুমি আমাকে বুঝতে পারছো না...
স্ত্রী: আমি তো অবুঝ, দুধের বাচ্চা! তোমার প্যাঁচ ধরতে পারবো না!
স্বামী: আমি আসলে তা বলিনি কিন্তু...
স্ত্রী: তাহলে এখন আমি মিথ্যুক! হায় খোদা! কার সঙ্গে সংসার করছি এত দিন?
স্বামী: সকাল সকাল শুরু করে দিলে ৫২ পর্বের সিরিয়াল? দয়া করে থাম এবার প্লিজ, শুয়েই থাকো তুমি।
স্ত্রী: হ্যাঁ, আমি তো ঝগড়াটে। সকাল থেকেই কাইজা শুরু করি তোমার সঙ্গে। আমি ঘুমিয়ে থাকলেই তুমি শান্তি পাও!
স্বামী: হায় আল্লাহ! কী মুসিবতে পড়লাম। আচ্ছা, আমি যাবো না জগিংয়ে।
স্ত্রী: মনের ইচ্ছা লুকিয়ে রাখ কেন? তোমার নিজেরই তো আসলে ইচ্ছে নেই যাওয়ার, আর আমার ওপর দোষ চাপাচ্ছো এখন।
স্বামী: ওকে, ঠিক আছে বাবা। তুমি ঘুমাও এবার, আমি একাই চললাম।
স্ত্রী: তুমি তো সব সময় একা একাই থাকতে চাও। মৌজ-স্ফূর্তি সব একাই করলে জীবনে। আমি তোমার কে!
স্বামী: উফফ, এবারকার মতো মাফ করে দাও! দয়া করো, প্লিজ। আমার মাথা ঘোরাচ্ছে।
স্ত্রী : মাথা তো ঘুরবেই এখন। পার্কে একা একা জগিংয়ের ছলে বেহায়া মেয়েছেলেগো দেখার সুযোগ নষ্ট হলো যে... পুরুষগুলা এমনই হয় কেন প্রভু...
স্বামী বেচারা গত এক সপ্তাহ ধরে ভাবছে: আচ্ছা, দোষটা কী করেছিলাম! ভুলটা কী ছিল আমার?

08-Oct-2021 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 6088+)
প্রশ্নঃ ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ। এটি একটি সামুদ্রিক মাছ, যা ডিম পাড়ার জন্য ১২০০ কিমি দূরত্ব অতিক্রম করে বাংলাদেশ ও পূর্ব ভারতের নদীতে আগমন করে। ইলিশ মাছ খুবই সুস্বাদু তাই এটি প্রায় সকলের প্রিয় একটি মাছ। ইলিশ মাছের ছোট বাচ্চাকে জাটকা বলে, বাংলাদেশে সাধারণত ০১নভেম্বর হতে ৩০ জুন পযন্ত সারাদেশে জাটকা আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করা হয়।

কত সাইজের ইলিশ মাছের বাচ্চাকে জাকটা বলে?
(A) ৭ ইঞ্চির ছোট
(B) ৮ ইঞ্চির ছোট
(C) ৯ ইঞ্চির ছোট